গু লিতে নিহত বাংলাদেশির লা শ ফেরত দিল ভারত

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গু লিতে নি হত বাংলাদেশি নাগরিক আব্দুল রূপের (৩৭) লা শ বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। এসময় তার পরিবারের সদস্যদের কাছে লা শ হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বোবারতল এলাকার সীমান্ত খুঁটি ১৩৮০/৪-এস সংলগ্ন স্থানে বাংলাদেশের পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে লা শ হস্তান্তর করে ভারতের পুলিশ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দি থানার ওসি সীমান্ত বড়ুয়া ও বিএসএফ ১৩৪ ব্যাটেলিয়নের এসি সন্তোষ কুমার এবং বাংলাদেশের পক্ষে বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জসীম ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলাম, ডা. শুভ্রাংশু শেখর দে প্রমুখ।

এর আগে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে বিএসএফ ও পাথারকান্দি থানার পুলিশ লা শ নিয়ে পৌঁছায়। এরপর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে সদর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও নি হতের বড় ভাই আব্দুল গনি আব্দুর রূপের লা শ সনাক্ত করেন।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনগত রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের বাংলাদেশি নাগরিকের একটি দল বড়লেখা উপজেলার বোবারতলের উত্তর ডিমাই এলাকায় সীমান্ত খুঁটি ১৩৮২/১-এস সংলগ্ন স্থানের কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করে ভারত সীমানায় অনুপ্রবেশ করে। এসময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গু লিবর্ষণ করে। বিএসএফের গু লিতে আব্দুল রূপ ঘটনাস্থলেই মা রা যান। বিএসএফ তার লা শ উদ্ধার করে ভারতে নিয়ে যায়। অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পর বিজিবি মৃত বাংলাদেশি নাগরিকের লা শ ফেরত আনতে বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করে। সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে রোববার লা শ হস্তান্তর করা হয়।

আব্দুল রূপ বড়লেখা সদর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল (উত্তর) গ্রামের সজ্জাদ আলির ছেলে। তিনি ৩ সন্তানের জনক।
বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জসীম রোববার বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে লা শ গ্রহণ করা হয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়। সে দেশে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কাগজপত্র আমরা দেখেছি।’

বিয়ানীবাজার বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেন, ‘লা শ হস্তান্তর হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নে দুই দেশের পুলিশ ছিলেন। বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আব্দুর রূপকে গু লিকে করে হ ত্যার বিষয়ে আমরা লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছি। বিএসএফ জানিয়েছে, অনুপ্রবেশ করে নিহত আব্দুর রূপ তাদের ওপর আক্র মণ করেছে। কিন্তু এ বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা যাচ্ছে না। যেহেতু ঘটনা ভারতের ভেতরে। বিজিবি’র জোরদারকৃত টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

কাশ্মীরে ঢুকতে না দিয়ে জোর করে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হল রাহুল গান্ধীকে

কাশ্মীর পরিস্থিতি স্বচোক্ষে দেখতে বিরোধীদলীয় ১১ জন শীর্ষ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী শ্রীনগর বিমানবন্দরে পৌঁছালে, তাদের সেখান থেকেই দিল্লিতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর-এনডিটিভি। সরকারি নি ষেধ উপেক্ষা করে শনিবার জম্মু ও কাশ্মীর রওনা হয়েছিলে

এর আগে, রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলীয় নেতারা কাশ্মীর পরিস্থিতি দেখার জন্য সেখানে সফরের ঘোষণা দেন। সফরকারী দলে কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে রাহুল গান্ধী ছাড়াও রাজ্যসভায় দলটির নেতা গুলাম নবী আজাদ ও আনন্দ শর্মার মতো শীর্ষ নেতারাও ছিলেন।

বিরোধী দলের এই গ্রুপে ছিলেন সিপিআই-এমের সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের ডি রাজা, ডিএমকের তিরুচি শিবা, আরজেডির মনোজ ঝা, এনসিপির দিনেশ ত্রিবেদীসহ অনেকে।

এর আগে, গুলাম নবী আজাদকে কাশ্মীর যেতে না দিয়ে জম্মু বিমানবন্দর থেকে জোর করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক নেতাকে উপত্যকা এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ রাজনৈতিক নেতাদের সেখানে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোয় বিঘ্ন ঘটতে পারে এই আশ ঙ্কায় কাশ্মীরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে রাজ্যটিকে কেন্দ্রশাসিত দুইটি অঞ্চলে ভাগ করে। এরপর থেকেই সেখানে বিশেষ করে রাজ্যের সবচেয়ে বড় নগরী শ্রীনগরে উ ত্তেজনা বিরাজ করছে এবং নানা জায়গায় প্রতিবাদ-বি ক্ষোভের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর শ্রীনগর উপকণ্ঠের সোউরায় শত শত বি ক্ষোভকারী সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে বলে জানায় বিবিসি। পুলিশ বিক্ষো ভকারীদের বাধা দিলে তারা পুলিশের দিকে পাথর নিক্ষেপ করে। সং ঘর্ষের এক পর্যায়ে বি ক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করলে অন্তত দুই বি ক্ষোভকারী আ হত হন।

এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতাদের কাশ্মীর সফর করা উচিত হবে না বলে এক টুইটে পরামর্শ দিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর ইনফরমেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন অধিদপ্তর।

এবার ভাইরাল সেই ডিসির গানের ভিডিও (ভিডিও)

গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ডিসির আপ ত্তিকর ভিডিও ভাইরালের পর ফের রবিবার (২৫ আগস্ট) সেই ডিসির আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায় একটি গান গাইছেন ডিসি আহমেদ কবীর। নতুন এই ভিডিওতে আরও কিছু ব্যক্তিকে দেখা যায়। যদিও এখনও তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রবিবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে ডিসির সেই আ পত্তিকর ভিডিও নিয়ে কথা বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আ পত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের সঙ্গে অন্ত রঙ্গে জড়ানো সেই নারীর বি রুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এখানে শুধু ডিসি নয় যে নারীর নাম এসেছে সেও তদন্তের আওতায় আসবে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ডিসিকে ওএসডি করার প্রসঙ্গ টেনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, জামালপুরের ডিসি অ নৈতিক কাজ করেছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তার বি রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অধিকতর তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।https://web.facebook.com/ohr.page/videos/439999969935398/

নৌ ভ্রমণের আড়ালে চলে উদ্দাম নৃত্য আর অ শ্লীল কর্মকাণ্ড

রাত যত গভীর হয় চলনবিলের প্রমোদ তরীগুলো ততোই গহীন বিলে চলে যায়। এরপর শুরু হয় ভাড়াটিয়া নর্তকীদের উদ্দাম নৃত্য আর অ শ্লীল কর্মকাণ্ড। চলতি বর্ষা মৌসুমে চলনবিল অঞ্চলে নৌ ভ্রমণ ও ভুড়ি ভোজনের আড়ালে এভাবেই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। গত বুধবার একটি নৌকা থেকে দু’নর্তকীকে আটক করে পুলিশ।

চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম জাকির হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, উপজেলার হান্ডিয়াল ও নিমাই চড়া বিলে, বেশিরভাগ নৌ ভ্রমণের নৌকার সামনে দৃষ্টিকটু পোশাকে থাকে নর্তকীরা। সিনেমা স্টাইলে নর্তকীকে সঙ্গ দেয় যুবক ও তরুণেরা। গান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে চলে এ নৃত্য। ছাউনির ভেতরেও চলে নাচ। সেখানকার পরিবেশটা আরও আ শ্লীল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কথিত এসব নর্তকীরা মূলত যৌ নকর্মী। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে টাকার বিনিময়ে এদের আনা হয়।

এলাকাবাসী জানান, নর্তকী থাকা নৌকাগুলো রাতে চলনবিলের গভীর চলে যায়। রাতভর বিলেই থাকে এগুলো। রাত যত গভীর হয়, নৃত্যের সাথে সাথে অ শ্লীলতাও বাড়তে থাকে। কিছু কিছু নৌকায় চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। এ ধরণের নৌকাগুলার বেশিরভাগ অংশ কৌশলে পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখেন নৌ মালিকেরা।

নিমাইচড়া এলাকার বাসিন্দা মুক্তার হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে জানান, এসব নর্তকীর কারণে পরিবারও স্বজনদের সাথে নৌকা ভ্রমণে আসলে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় দর্শনার্থীদের।

হান্ডিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম জাকির হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, বাধ্য হয়ে গ্রাম পুলিশ দিয়ে টহল দেয়ানোর ব্যবস্থা করেছি। তবে, ওরা সংখ্যায় বেশি। তাই আশানুরুপ কিছু করা হচ্ছে না। গত বছর ৪ নর্তকীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও এদের থামানো যায়নি।

হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, বুধবার দুই নর্তকীকে আটক করে চাটমোহর থানায় হস্তান্তর করেছি। ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালে এ অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ হতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার বাংলাদেশ জার্নালকে বললেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হবে। কোন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না।

নিখোঁজ দুই ‘সমকামী’ তরুণী রাজশাহীতে উদ্ধার

চলতি বছরের ১৯ মার্চ বরিশাল মহানগরী থেকে হঠাৎ নি খোঁজ হয়ে যায় দুই তরুণী। এদের একজনের বয়স ১৬। বাবা-মা’র সাথে থাকত নগরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপুর রোডের একটি বাসায়। অন্যজনের বয়স ১৮, সদ্য এসএসসি উত্তীর্ণ এই তরুণীটি বিএম কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় স্বজনদের পক্ষ থেকে অ পহরণের মা মলাও করা হয়। তবে, নি খোঁজের চার মাস পর নি খোঁজ দুই তরুণীকে রাজশাহী থেকে উ দ্ধারের পর বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন তথ্য। উ দ্ধার দুই তরুণী রাজশাহী পুলিশের কাছে দাবি করেছে, তারা সমকামী। অ পহরণ নয়, স্বেচ্ছায় তারা বরিশাল থেকে পালিয়ে রাজশাহীতে এসে ভাড়া বাসায় থাকত।

রোববার বেলা ১২টার দিকে তাদের দু’জনকে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার শাহমখদুম থানাধীন নওদাপাড়া এলাকা থেকে তাদের উ দ্ধার করা হয়। নি খোঁজ, ‘অ পহরণ’ মা মলা: দুই তরুণী নি খোঁজের পর তিনজনকে আ সামি করে একটি অ পহরণ মা মলা দায়ের করেন স্বজনরা। মা মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আল মামুন জানান, চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল আগরপুর রোডের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী বাদী হয়ে তার মেয়েকে অপ হরণের অ ভিযোগ এনে একটি মা মলা দায়ের করেন।

ওই মা মলায় নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডের আমজাদ মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া বাসিন্দা আব্দুর রহমান দুলাল ফকিরের ছেলে উজ্জল হোসেন রানা, স্ত্রী আলেয়া বেগম ও মেয়ে জামাই মো. মাসুমকে অভি যুক্ত করা হয়। এমনকি অপ হরণ মা মলায় প্রধান আসামি উজ্জল হোসেন রানাকে গ্রেফ তারও করা হয়।

যেভাবে উ দ্ধার হলো দুই তরুণী: এসআই মামুন বলেন, নি খোঁজ দুই তরুণীর সন্ধান নিশ্চিত হতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়। এতে ওই দুই তরুণীর অবস্থান রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকায় নিশ্চিত হওয়া যায়। পরবর্তীতে কোতয়ালি মডেল থানার এসআই ফিরোজ আল মামুন এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম শনিবার দিনভর রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশেষ অ ভিযান পরিচালনা করেন। পরে সেখানকার শাহমখদুম থানাধীন নওদা পাড়া এলাকায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর মালিকানাধীন বাড়ী থেকে দুই তরুণীকে উ দ্ধার করা হয়।

এসআই মামুন আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধা রকৃত তরুণীরা স্বীকার করেছে যে তারা অপ হরণ হয়নি, তারা দু’জন স্বেচ্ছায় পালিয়ে যায়। এমনকি দু’জন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ নামের ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিলো। পুলিশের কাছে তারা দাবি করেছে যে, সমকামিতা থেকেই তাদের এ পালিয়ে যাওয়া।

পাশাপাশি অপ হরণ মামলা য় আসা মিদের বিরু দ্ধে যে অভি যোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয় বলেও পুলিশকে জানিয়েছে তরুণীরা। ফিরোজ আলম মামুন বলেন, রোববার সকালে দুই তরুণীকে উ দ্ধার করে বরিশালে আনা হয়েছে এবং তাদের পরিবারের লোকদের খবর দেয়া হয়েছে। তাছাড়া দুপুরে তাদের দু’জনকে আদালতে হাজির করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

গভীর রাতে জামালপুর ছাড়লেন ডিসি কবীর | সংবাদ

যৌন কেলেঙ্কারিতে বিতর্কিত ডিসি আহমেদ কবীরকে ওএসডি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আদেশ আসার আগেই জনরোষ আতঙ্কে রাতের আঁধারে জামালপুর ছেড়েছেন তিনি।

বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শনিবার গভীর রাত ৩টায় তিনি জামালপুর ত্যাগ করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার সাক্ষরিত আদেশপত্র জামালপুরে পৌঁছে রোববার দুপুর দেড়টায়। সেই আদেশে আহমেদ কবীরকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। তার স্থলে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করছেন পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ এনামুল হক।
এদিকে আলোচিত নারী অফিস সহকারী সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার রোববার কর্মক্ষেত্রে যোগদানের কথা ছিল, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজিব কুমার সরকার।

সাধনার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি। সাধনা এখন কোথায়, সঠিক হদিস বলতে পারছে না কেউ।
সাধনার পরিবারের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তার মা নাসিমা আক্তার বলেন, মেয়ে বেড়াতে গেছে। কোথায় বেড়াতে গেছে এ বিষয়ে মুখ খুলেননি তিনি। তার হদিস না থাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে সাধনা নিজ থেকে আত্মগোপন করেছে নাকি আহমেদ কবীর তাকে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছেন।
আহমেদ কবীরের ওএসডির খবর চাউর হলে আজ রোববার ডিসি অফিসে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ভিড় জমায় সাংবাদিকরা। উৎসুক মানুষও এসেছে সর্বশেষ খবর জানতে। বিশেষ নিরাপত্তায় ডিসি অফিস প্রাঙ্গণ ও আশপাশে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। সেখানে দমকল বাহিনীর গাড়িও অবস্থান করছিল।

ডিসি অফিসের বারান্দায় বসানো হয়েছিল ভিক্ষুকমুক্ত জামালপুরের প্রচারণায় একটি এলইডি টিভি। সেখানে ডিসি আহমেদ কবীরের বক্তব্য থাকায় হামলার আশঙ্কায় টিভিটি সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।
তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজিব কুমার সরকার বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেছেন, দু’দিন বন্ধ থাকায় টিভিটি খুলে রাখা হয়েছে। আজ সকালে সেটা যথাস্থানে থাকবার কথা। অথচ দুপুর ২টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদক ডিসি অফিসে অবস্থানকালে টিভিটি দেখতে পাওয়া যায়নি।
নারী কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ডিসি আহমেদ কবীরের ওএসডি ও বদলীতে সন্তুষ্ট নয় জামালপুরবাসী। তার চাকরিচ্যুতসহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি তুলেছেন সংক্ষুব্ধরা। সেই সাথে ছায়াডিসি খ্যাত প্রভাবশালী পিয়ন সাধনারও বিচার চেয়েছে এলাকাবাসী।

ব্যক্তিগত গোপ নীয়তা রক্ষায় ইসলামের ৪ নির্দেশনা

মা, আমার রুমে ঢোকার আগে কেন তুমি অনুমতি নাও না? অনেক কিশোর-কিশোরীদের কাছ থেকেই তাদের পিতা-মাতার প্রতি সাধারণ এই অভিযোগ শোনা যায়। তারা প্রায়ই বিরক্ত থাকে, তাদের পিতা-মাতা ও ভাই-বোনদের কাছে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কোন সম্মান রাখা হয় না কেনো? 

এর বিপরীত দিকটিও সত্য। সন্তানরাও অনেকসময় বুঝতে পারে না, তাদের পিতা-মাতারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয় আছে। ফলে তারা চিন্তা-ভাবনা না করেই যখন-তখন বিনা অনুমতিতে তাদের পিতা-মাতার ঘরে প্রবেশ করে।  
এই আচরণ আমাদের অনেকের কাছেই স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কিন্তু এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত এবং এ ধরণের আচরণ বন্ধ করা উচিত। 

আল্লাহর দৃষ্টিতে এটি কতটুকু স্বাভাবিক, তা কুরআন ও হাদীস থেকে ৪টি নিরদেশনা উল্লেখ করে আলোচনা করা হল
এক. শিশুরা তাদের বয়সে বড়দের রুমে দিনের বেলা প্রবেশ করতে তিনবার অনুমতি নিবে। কুরআনে বলা হয়েছে,
“হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (সূরা আন-নূর, আয়াত: ৫৮)

দুই. আমাদের কারো ঘরেই অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা উচিত হবে না, যত দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হোকনা কেন। কুরআনে বলা হয়েছে,
“হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।” (সূরা আন-নূর, আয়াত: ২৭)
তিন. যদি কোন ব্যক্তির ঘরে প্রবেশের জন্য তিনবার অনুমতি চাওয়ার পরেও কোন সাড়া পাওয়া না যায়, তবে আমাদের উচিত সেখান থেকে ফিরে আসা।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার আবু মুসা আশআরী (রা.) হযরত উমর (রা.) এর ঘরে প্রবেশের জন্য বাইরে থেকে তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করেন। কিন্তু উমর (রা.) অনুমতি না দেওয়ায় বা কোন সাড়া না দেওয়ায় তিনি চলে যান। পরে হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি চলে গিয়েছিলেন।

আবু মুসা আশআরী (রা.) বলেন, “আমি আপনার কাছে তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করেছিলাম, যা রাসূল (সা.) আমাদের উপর নির্ধারিত করেছেন। এরপর যদি আমরা অনুমতি পাই তো প্রবেশ করবো অন্যথায় ফিরে যাবো।”
হযরত উমর (রা.) বলেন, “তুমি কি আমাকে এই সম্পর্কে কোন প্রমাণ দেখাতে পারবে?”

হযরত আবু মুসা আশআরী (রা.) তখন কিছু লোক নিয়ে আসেন এবং তাদেরকে আল্লাহর নামে এই বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বলেন। তারা এই বিষয় সম্পর্কে সত্যতার সাক্ষ্য দেয়। (ইবনে মাজাহ)
চার. আমাদের কখনোই উচিত হবে না, আমাদের পরিবারের সদস্য, সন্তান বা অন্যান্যদের বিষয়ে মন্দ ধারণা করা এবং অন্যদের বি রুদ্ধে গোয়ে ন্দাগিরি করা। কুরআনে এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, 

“মুমিনগণ, তোমরা অহেতুক ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। নিশ্চয় অহেতুক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পেছনে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তার মৃ ত ভাইয়ের মাংস খাওয়া পছন্দ করবে? বস্তুত, তোমরা তো একে ঘৃ ণাই করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।” (সূরা আল-হুজরাত, আয়াত: ১২)

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, “সন্দেহ থেকে মুক্ত হও। সন্দেহের মধ্যে গু রুতর মিথ্যা লুকিয়ে আছে। একে অন্যের বি রুদ্ধে অহেতুক উৎসুক হয়ো না এবং একে অপরের বি রুদ্ধে গোয়ে ন্দাগিরি করো না।” (মুসলিম)

অনেক সময় কেউ আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে অসম্মান করলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। এটি আমাদের জন্য কখনোই উত্তম নয়। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী আমাদের বরং উচিত, অন্যের মাঝে সহনশীলতার সাথে এসব বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা।
এমএফ/

 
সূত্র পরিবর্তন ডট কম

উদাহরণ সৃষ্টির মতো শাস্তি হবে ডিসি কবীরের: প্রতিমন্ত্রী

সচিবালয় প্রতিবেদক
গোপন ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় ওএসডি হওয়া জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের উদাহরণ সৃষ্টির করার মতো শা স্তি হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

রোববার সচিবালয়ে তার নিজ দফতরে সাংবাদিকদের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

সর্বোচ্চ শা স্তি কী হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই তার উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো শাস্তি হবে। চাকরির বিধান অনুযায়ী তার শা স্তি হবে। আমরা আশা করি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারব। আমরা তদন্ত কমিটি করে দেব। কমিটি সব বিচার বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন দেবে। আশা করি, অল্পদিনের মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

কিছু দিন আগে পাওয়া তার শুদ্ধাচার সার্টিফিকেট প্রত্যাহার করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার সার্টিফিকেট অবশ্যই প্রত্যাহার করা হবে।
এসএস/আরপি
সূত্র পরিবর্তন ডট কম

ওসির বাসায় তরুণীর লাশ!

নি হত সাইমা আক্তার সুমা কিশোরগঞ্জ জেলার বত্রিশ বিলপাড়া এলাকার মো. আক্কাস আলীর মেয়ে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, নি হত সুমা রাজধানীর আদাবরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। পরে স্বামীর অ ত্যাচারে বাবা মায়ের কাছে চলে আসতে বাধ্য হয়। এর কিছুদিনের মাথায় সে নি হত হল।

নি হতের ভাই কামরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত ১১টায় আমার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার পর আজ দুপুরে তার মৃত্যুর খবর পাই। দুপুর থেকে আমার বাবা-মাসহ থানায় ঘুরলেও এখন পর্যন্ত তার মুখটাও দেখতে পারিনি। পুলিশ কেন তাকে আমাদের দেখতে দিচ্ছে না? আমার বোনকে আমরা ফেরত চাই। খু নিদের ফাঁ সি চাই।

আদাবর থানার ওসি কাউসার আহমেদ জানান, সম্ভবত এটা আ ত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। আমরা বিকালে খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করি। সন্ধায় তার লাশ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। কাল (রোববার) ময়নাতদন্ত (পোস্ট মর্টেম) শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

মিয়ানমারেরও শক্তিশালী বন্ধু আছে: কাদের

বিশ্বে মিয়ানমারেরও শক্তিশালী বন্ধু থাকার বিষয়টি মাথায় রেখে রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সরকার কৌশলী অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার সেখানে পরিবেশ সৃষ্টি করেনি, নিরাপত্তা সৃষ্টি করেনি, সিটিজেনশিপের মতো বিষয়টি সুরাহা করতে পারেনি; এজন্য তাদের বিশ্বাস করতে পারেনি রোহিঙ্গারা। এর দায় মিয়ানমার সরকারকে নিতে হবে। আজ ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটশন মিলনায়তেনে বিআরটিসি শ্রমিক-কর্মচারী লীগের আয়োজনে শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা যুদ্ধের পথে যাব না, আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখব। সেই কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। এখানকার সমস্যাটা জটিল। এই জটিলতার মধ্যে যুদ্ধ পরিহার করে ঠান্ডা মাথায় আলাপ-আলোচনা করে এর সমাধান করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের মনে রাখতে হবে, মিয়ানমারেরও বন্ধু আছে এবং শক্তিশালী বন্ধু আছে। রোহিঙ্গা ফেরত পাঠাতে না পারা কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয় বলে তিনি দাবি করেন।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভুইয়া ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ প্রমুখ।