চাঁ দাবাজির সময় দুই ভুয়া র‌্যাব সদস্য আটক

স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠী গ্রামে চাঁদা বাজির সময় দুই ভুয়া র‌্যাব সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় বুধবার (৭ জুলাই) দুপুরে কৃষ্ণকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মাইনুল হক দিপু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

আটকরা হলেন- ঝালকাঠি সদর থানার পূর্ব তারুলি গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের পুত্র মিজানুর রহমান হাওলাদার ও ঝালকাঠি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফজলুল হক মিলনের পুত্র সাইফুল হক লেলিন।

বাদী দিপু জানান, তার বাড়িতে গিয়ে র‌্যাব পরিচয় দিয়ে আটক ব্যক্তিরা টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তারা। এতে সন্দেহ হলে বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে তাদের আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

বন্ধু দিবস পালন করায় অর্ধশতাধিক ছাত্রীকে বেত্রাঘাত

স্টাফ রিপোর্টার:স্কুলে আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস পালন করায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করেছেন শিক্ষক। বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনা ঘটে।
সোমবার (৫ আগস্ট) অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক নির্মলেন্দু বাড়ৈ মারধরের কথা স্বীকার করেছেন।

আহত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী বন্ধু দিবসের দিন রবিবার দুপুরে স্কুল বিরতির সময় আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে ক্লাসরুমে দিবসটি পালন করে। বিষয়টি টের পেলে স্কুলের শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে অর্ধশতাধিক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখে।

এরপর তাদের লাইব্রেরিতে ডেকে পাঠান সহকারী প্রধান শিক্ষক নির্মলেন্দু বাড়ৈ। ছাত্রীরা সেখানে গেলে প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে বেত দিয়ে ছাত্রীদের পেটানো হয়। পরে প্রধান শিক্ষক মো. হারুন-অর-রশিদ ছাত্রীদের অভিভাবকদের বিদ্যালয়ে ডেকে নেন। ছাত্রীদের টিসি দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় ছাত্রীরা শিক্ষকদের পা ধরে ক্ষমা চান। এরপর আর কোনোদিন বন্ধু দিবস পালন না করার মুচলেকা নিয়ে তাদের ক্ষমা করা হয়।

সহকারী প্রধান শিক্ষক নির্মলেন্দু বাড়ৈ জানান, তিনি প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ছাত্রীদের বেত্রাঘাত করেছেন।
প্রধান শিক্ষক হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী উচ্ছৃঙ্খল হওয়ায় বিদ্যালয়ের স্বার্থে তাদের সামান্য বিচার করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, ‘বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে ক্লাসের বিঘ্ন করে বিশ্ব বন্ধু দিবস পালন করলে সেটি অপরাধ। তবে বিদ্যালয় বিরতির সময় বন্ধু দিবস পালন করলে সেটি দোষের কিছু নয়।’ এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।