বিয়ে না দেওয়ায় ক্ষোভে যুবকের আত্মহ ত্যা

স্টাফ রিপোর্টার:বগুড়ার সান্তাহার পৌর শহরের মালশন গ্রামে ইমরান হোসেন (২৮) নামের এক যুবক গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্ম হত্যা করেছে। সে মালশন গ্রামের নুর-ইসলাম ফুন্টুসের ছেলে।

নি হতের ভগ্নিপতি রাজু জানায়, ইমরান বেশ কয়েক দিন ধরে বিয়ের জন্য বাড়ির লোকজনকে চাপ দিচ্ছিলো। বাড়ির কাজ সম্পন্ন হলে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে তাকে জানানো হয়। কিন্তু ইমরান একটু মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় কোনোভাবেই তা মানছিলো না।

রোববার (২৫ আগস্ট)দুপুর দেড় টার সময় সে বাড়ির অদুরে ফাঁকা জায়গায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে অসুস্থ হলে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ ত্যু হয়। আত্ম হ ত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

তিন দিনের মধ্যে মিলবে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার:জরুরি প্রয়োজনে তিন দিনেই ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। এর জন্য অতিরিক্ত ফি জমা দিতে হবে। এর মেয়াদ করা হয়েছে ১০ বছর। ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সত্যায়ন পদ্ধতি থাকছে না। তবে আগের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশন থাকছে।

এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ।
এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ই-পাসপোর্ট চালুর জন্য খুব দ্রুতই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে। ৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টে ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য পাঁচ হাজার টাকা। পাঁচ বছরের জন্য জরুরি ফি সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য সাত হাজার টাকা। পাঁচ বছরের অতি জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

এদিকে পাঁচ বছর মেয়াদের ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদের জন্য সাত হাজার টাকা। একই পৃষ্ঠার পাসপোর্টে জরুরি ফি পাঁচ বছরের জন্য সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি অতি জরুরি পাসপোর্ট পেতে হলে গ্রাহককে ফি দিতে হবে সাড়ে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদের পাসপোর্ট পেতে হলে ফি লাগবে ১২ হাজার টাকা।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের বহিরাগমন শাখা-১ থেকে গত ১ আগস্ট জারি করা পরিপত্রে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ই-পাসপোর্ট পেতে ‘সাধারণ আবেদনকারী’ এবং ‘শ্রমিক ও শিক্ষার্থী’ নামে দুই ক্যাটেগরিতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকরা সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট পেলেও তারা অতি জরুরি আবেদন করতে পারবেন না।

সাধারণ আবেদনকারীকে পাঁচ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে ১০০ মার্কিন ডলার এবং জরুরি পাসপোর্ট পেতে দেড়শ ডলার ফি দিতে হবে। একই পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পেতে খরচ করতে হবে ১২৫ মার্কিন ডলার ও ১৭৫ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা। ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ফি ১৫০ ডলার এবং জরুরি ফি ২০০ ডলার। একই পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিককে সাধারণ ফি বাবদ ১৭৫ ডলার এবং জরুরি পাসপোর্ট বাবদ ২২৫ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা দিতে হবে। তবে বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফি কমানো হয়েছে।

বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিক বা শিক্ষার্থীদের পাঁচ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে সাধারণ আবেদনে ৩০ ডলার ও জরুরি ক্ষেত্রে ৪৫ ডলার এবং ১০ বছর মেয়াদে ৫০ ডলার ও ৭৫ ডলার ফি দিতে হবে। ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে এ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছরের জন্য ১৫০ ডলার ও ২০০ ডলার এবং ১০ বছরের জন্য ১৭৫ ডলার এবং ২২৫ ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা। তবে সাধারণ বসবাসকারী, শ্রমিক বা শিক্ষার্থীদের এসব ফির সঙ্গে দূতাবাস প্রদত্ত সারচার্জও যুক্ত হবে

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করা লাগবে না। অত্যাধুনিক এই পাসপোর্টের ফরমে প্রার্থীর কোনো ছবি সংযোজনও করতে হবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী অর্থাৎ যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তার বাবা এবং মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংযুক্ত করতে হবে। ১৮ বছরের নিচের আবেদনকারীদের জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দেওয়া গেলেও ১৮ বছরের হলে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন করা যাবে। কিন্তু ১৮ বছরের ওপরের আবেদনকারীদের অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ফরমের ব্যক্তিগত তথ্য অংশে শুধু বাবা, মা, অভিভাবক, নির্ভরশীলের নাম, পেশা ও জাতীয়তার তথ্য চাওয়া হতো। তবে ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারণ করা আবেদন ফরমে দেখা যায়, এ ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও চাওয়া হয়েছে।
পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

দেশে আবার ষড় যন্ত্র শুরু করা হয়েছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে একক নেতৃত্বে যখন বিশ্বের বুকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তখনই আবার চক্রা ন্ত আর ষড় যন্ত্র শুরু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বি রুদ্ধে যেকোনো ষড় যন্ত্র মোকাবিলায় প্রয়োজনে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুনর্বাসন সমিতির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য মেজর (অব.) ওয়াকার হাসান এবং বাংলাদেশ পোস্টের সম্পাদক শরীফ সাহাব উদ্দীন।
পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

‘জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃ ত বঙ্গবন্ধু বেশি শক্তিশালী’

স্টাফ রিপোর্টার:জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃ ত বঙ্গবন্ধু অনেক বেশি শক্তিশালী বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ। গাজীপুরের রাজাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

ধলাদিয়া কলেজ মাঠে ২৪ আগস্ট রোববারের এ সভায় জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আক্তারুজামান সভাপতিত্ব করেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সামসুল আলম প্রধান, কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আকবর আলী চৌধুরী, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাবর আলী, আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইদ কামাল, ইউসুফ আলী শেখ, হারুন রশিদ রনি, বাবর আলী, সোহেল ভাওয়ালী প্রমুখ।

যে যাবে সেও লাভবান হবে, দেশ ও লাভবান হবে: প্রধানমন্ত্রী  

স্টাফ রিপোর্টার:
যারা বিদেশ কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক তারা দেশের বাইরে গিয়ে যেন প্রতারিত না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিবাসন বিষয়ক জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ বিদেশে যাবে এটা একটা স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। কিন্তু কোথাও গিয়ে তারা যেন অকালে হারিয়ে না যায়, সেদিকে আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া… কারণ তারা আমাদেরই নাগরিক। তাদের ভালো-মন্দ দেখার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।

বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে দালালদের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত অনিয়মের কথাও প্রধানমন্ত্রী সভায় তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, একটা জিনিস হল, কিছু দালাল শ্রেণির লোক গ্রামেগঞ্জে ঘোরে। সোনার হরিণ ধরার স্বপ্ন দেখিয়ে মানুষের থেকে মোটা অংক নিয়ে তাদের বাইরে পাঠায়। শুধু বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে তা না। এরপর যা করে বাইরে যাওয়ার পর তাদের কোনো খবর নেয় না। আত্মীয়-স্বজন যখন চাপ দেয় তাদের থেকে আবার টাকা নেয়। এভাবে কিন্তু একটা অনিয়ম প্রচলিত আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেক দেশে আমাদের মেয়েরা যায় কাজ করতে। যারা তাদের কাজ করতে পাঠাচ্ছে, কী ধরনের কাজ তারা করতে যাচ্ছে তার জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হয় না। ফলে যারা কাজ করতে যাচ্ছে তারা কাজ করতে পারে না। আবার অত্যা চারের শিকার হচ্ছে।
এসব অনিয়ম বন্ধ করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও সভায় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এগুলো যাতে বন্ধ হয় তার জন্য ইতোমধ্যে তাদের স্মার্ট কার্ড দেওয়া, টেলিফোনের ব্যবস্থা করা, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য… এবং খবর রাখা। যারা বাইরে যেতে চায় তাদের জন্য সারাদেশে ৫২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবে এবং এই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে তাদের পাঠাব।

এসব সুযোগ সুবিধা থাকার পরও অনেকে ‘দালালদের খপ্পরে পড়ে বিপদে পড়ে যায়’ মন্তব্য করে সম্প্রতি ভূমধ্য সাগরে নৌকা ডুবিতে অনেক বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনা মনে করিয়ে দেন শেখ হাসিনা।

দেশের বাইরে কাজ করতে গিয়ে মানুষ যেন প্রতারণার শিকার না হয়, সেজন্য জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
পাশাপাশি কর্মক্ষম যুব সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে কর্মক্ষম যুবসমাজ রয়েছে, সেটা আমাদের জন্য বিরাট শক্তি। তাদের বিভিন্ন কাজের ট্রেনিং দিয়ে দক্ষতা বাড়াতে হবে। এখন আমরা শুধু লেবার পাঠাব না। স্কিলড ম্যানপাওয়ার, অর্থাৎ দক্ষ জনশক্তি কীভাবে আমরা পাঠাতে পারি, রপ্তানি করতে পারি, সেটা… যে যাবে সেও লাভবান হবে; দেশও লাভবান হবে।”

অন্যদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
পূর্বপশ্চিমবিডি/এস.খান

মায়ের সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া দেখে ছেলের মৃ ত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় এক মায়ের সাথে স্ত্রীর ঝগড়া দেখে সবুর হোসেন নামে ছেলের হার্ট অ্যা টাকে মৃ ত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার উমরপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত সবুর হোসেন (২৭) নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন জানান, শনিবার রাতে নি হত সবুর মিয়ার স্ত্রী ও তার মা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া করছিল। এ সময় সবুর মিয়া তাদেরকে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা কেউই কথা শুনেনি। এসময় হঠাৎ করে সে অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃ ত ঘোষণা করেন।
পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

কাবিননামায় ‘কুমারী’ শব্দ বাদ দিয়ে ‘অবিবাহিত’ লেখার নির্দেশ!

স্টাফ রিপোর্টার:
কাবিননামার সরকারি ফরমে পাঁচ নম্বর কলামে কনে ‘কুমারী’ শব্দটি বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ‘কুমারী’ শব্দের স্থলে ‘অবিবাহিত’ লিখতে বলেছেন আদালত।

একই সঙ্গে কাবিননামার ফরমে ৪ এর ‘ক’ উপধারা সংযোজন করে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিবাহিত, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত কি না তা লিপিবদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এ বিষয়ে জারি করা রুল নিস্পত্তি করে রোববার (২৫ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না এবং অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার লিপি। সম্পূরক আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

এর আগে বিয়ের কাবিননামার ফরমে কনে কুমারী, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত সংক্রান্ত পাঁচ নম্বর কলাম থাকার বৈধতা নিয়ে রিট করা হয়।
রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালে, কাবিননামার ফরমের (বাংলাদেশ ফরম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেন বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে কেন ‘কুমারী’শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়।
রুল শুনানির এক পর্যায়ে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান কাবিননামায় মেয়েদের তথ্যের পাশাপাশি ছেলেরা বিবাহিত, অবিবাহিত বা তালাকপ্রাপ্ত কি না তা অন্তর্ভূক্তির জন্য সম্পূরক আবেদন করেন।

পরে আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, কাবিননামার ফরমের (বাংলাদেশ ফর্ম নম্বর-১৬০০ ও ১৬০১) পাঁচ নম্বর কলাম কেনো বৈষম্যমূলক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেনো ‘কুমারী’শব্দটি বিলোপ করে কাবিননামা সংশোধন করা এবং বরের বৈবাহিক অবস্থা-সম্পর্কিত কোনো ক্রমিক কাবিননামায় উল্লেখ করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছিলো।

এ ছাড়া বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের সময় উভয় পক্ষের ছবি কাবিননামায় কেনো সংযুক্ত করা হবে না সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

এই রুলের শুনানিতে এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বেলায়েত হোসেন।
ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন পরে সাংবাদিকদের বলেন, ৫ নম্বর কলামে এটা থাকা উচিত না। কারণ ব্যক্তির মর্যাদা ও গোপনীয়তাকে ক্ষু্ণ্ণ করে, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী এগুলো থাকা বাধ্যতামূলক নয়। মুসলিম শরীয়তে এধরনের শর্ত নেই।

ওই অনুচ্ছেদটি বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, নারীপক্ষ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ২০১৪ সালে ৭ সেপ্টেম্বর রিট আবেদনটি করে।
পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ডিসি অফিস বালাখানা, ডিআইজি লম্পট লুটেরা, ওসি গ ণধর্ষণের নেতা!

স্টাফ রিপোর্টার: এক ডিসি অফিস বালাখানা, আরেক ডিসি জমিদারের খাট বাড়িতে নেয়!ডিআইজি লম্পট লুটেরা, ওসি গ নধর্ষণের নেতা, সচিবের সাথে স্কুল শিক্ষিকার সরাসরি যোগাযোগ প্রভাব!,মাদ্রাসা শিক্ষক ইমাম ধ র্ষ ক! বিচারপতিদেরও অব্যাহতি ঘটছে। সমাজের নষ্ট একটি ক্ষুদ্র অংশ দেশটাকে শেষ তলানিতে নিচ্ছে।

একদল সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী,পুলিশ,ধর্ষক,লুটেরা,সংখ্যায় কম হলেও দেশের উন্নয়ন ধুসর করে দিচ্ছে!, আইন নীতি নৈতিকতার ধার ধারছেনা।ক্ষমতার দম্ভে এরা উন্মাসিক, বেপরোয়া।মূল্যবোধহীন সমাজকে কলুষিতই করছেনা,লোভ ও কামের নেশায় উন্মত্ত করে তুলছে।কোন কোন মন্ত্রী ব্যর্থতার নজির রাখছেন।একদল এমপি গনমুখী দায়িত্ব ছেড়ে আখের গোছানোতে ব্যস্ত।

এদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।গনপ্রতিরোধ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। স ন্ত্রাসবাদ,মা দক জ ঙ্গিবাদের মতোন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন জরুরী।
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
(ফেসবুক থেকে নেওয়া)

বিএনপি এমপি রুমিন ১০কাঠার প্লট পেলে চির কৃতজ্ঞ

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির সহ-আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক সংরক্ষিত আসনের নারী এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ঢাকাস্থ পূর্বাচল আবাসিক এলাকায় ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছেন।

শনিবার (৩ আগস্ট) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী‎ ‎শ ম রেজাউল করিম বরাবর তিনি এ আবেদন করেন। আবেদনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা লিখেছেন, ঢাকা শহরে আমার কোন জায়গা /ফ্লাট, জমি নাই। ওকালতি ছাড়া আমার অন্য আর কোন ব্যবসা/ পেশা নাই। আমার নামে ১০ (দশ) কাঠা প্লট বরাদ্দের জন্য সুব্যবস্থা করে দিতে আপনার মর্জি হয়।
এছাড়া চিঠিতে তিনি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সংরক্ষিত নারী আসন-৫০ থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৯ সালের ২৮ মে সংসদ সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।তার বাবা অলি আহাদ একজন ভাষা সৈনিক ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।আইনজ্ঞ হিসেবে রুমিন ফারহানার রয়েছে বাকপটুতা ও ক্ষুরধার যুক্তি। দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা রুমিন ফারহানা বিএনপির কূটনৈতিক উইং শাখায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহ ত্যা

স্টাফ রিপোর্টার: ময়মনসিংহের ভালুকায় কবির আহমেদ নামে এক কলেজে ছাত্রের সাথে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় পরিবারের সাথে অভি মান করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মারিয়া আফরোজ সুইটি (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী বিষপানে আত্মহ ত্যা করেছেন।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে নি হতের বাড়ির পাশে তাকে দাফন করা হয়।জানা যায়, উপজেলার পুরুড়া গ্রামের তেতুলীয়া পাড়ার কুয়েত প্রবাসী মোতাহার হোসেন সবুজের কিশোরী মেয়ে উপজেলার ভরাডোবা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী মারিয়া আফরোজ সুইটির সাথে দেড় বছর ধরে একই গ্রামের তাজুল ইসলাম তাজেলের কলেজ পড়ূয়া ছেলে কবির আহমেদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

কিন্তু সুইটির বাবা-মা তার মেয়ের এই প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। ছেলে পক্ষ বিয়ের জন্য মেয়ের বাবার বাড়িতে লোক পাঠালে ছেলে গরীব হওয়ায় বিয়ে দিবে না বলে না করে দেয়া হয়। এ নিয়ে গত এক বছরে দুই পরিবারের মাঝে বেশ কয়েকদফা আলোচনাও হয়। কিন্তু মেয়ে পক্ষ ঘটনাটি কোনভাবেই মেনে না নেয়ায় বুধবার (২১ আগস্ট) সুইটি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটান দেন।

তিনি সেখানে লিখেন, আমাকে বুঝার ট্রাই তোমরা কোনোদিন করোনাই……যেইদিন আমি তোমাদের ছেড়ে চলে যাবো অচিনপুর তখন তোমরা আমাকে বুঝবা আমি কি ছিলাম, তোমাদের জন্য তখন চাইলেও কেউ আমাকে ফিরে পাবে না, বাই’।

এরপর বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে সুইটি স্কুলে আসেন এবং দুপুরের বিরতির সময় তিনি ভালুকা সদরে গিয়ে ইদুর মারার বিষ কিনে খেয়ে বাসে চড়ে বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাস থেকে ভরাডোবা বাসস্ট্যান্ড নামার পর তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে পরে যান। এসময় স্থানীয় লোকজন তাকে ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। ঘটনার রাতেই তিনি হাসপাতালে মারা যান।

নি হত সুইটির চাচা আজিজুল হক সুজন জানান, এক বছর একই গ্রামের কবির নামে কলেজ পড়ূয়া এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ওই সম্পর্ক ভেঙে গেছে।উপজেলার ধলিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ও সুইটির প্রেমিক কবির আহমেদ সুইটির সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা গরীব বলে আমার কাছে সুইটির পরিবার বিয়ে দিবেনা বলে জানায়। তাই সুইটির সাথে অনেকদিন ধরে আমার যোগাযোগ নেই।
ভরাডোবা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর হক জানান, ঘটনাটি আমরা পরে শুনেছি।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, স্কুলছাত্রীর আত্ম হ্যার পর ময়নাতদন্ত শেষে থানায় একটি অপমৃ ত্যু মামলা হয়েছে। পরবর্তিতে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি