দুই মেম্বারের দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল যুবকের | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় বর্তমান ও সাবেক মেম্বারের পূর্ব বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গেল সাইদুল সরকারের (৩৮)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন।
রোববার বেলা ১১টার দিকে হোসেনপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া ইউনিয়নের দেওয়ানগঞ্জ বাজারে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুল হোসেনপুর উপজেলার মহেশকুড়া গ্রামের মৃত আজহার সরকারের ছেলে।
এ ঘটনায় হোসেনপুর থানা পুলিশ তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। অপরদিকে নান্দাইল থানা পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খারুয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মুক্ত মিয়া ও বর্তমান মেম্বার রিপুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে রোববার বেলা ১১টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে সাইদুল সরকারসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ ব্যক্তি আহত হয়।
আহতদের উদ্ধার করে হোসেনপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহতরা হলেন- পাবেল (২৫), ডালিম (৪০), নাঈম (১৫), হিমেল (২০), জুনায়েদ (২৬), জলিল (৩০), সুলতু (২৮) ও মঞ্জু (৩২)। তাদের কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, সপ্তাহখানেক আগে চা খাওয়া নিয়ে দুই মেম্বারের লোকজনের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রিপুল মেম্বার নান্দাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছিল।
রিপুল মেম্বার অভিযোগ করে বলেন, সপ্তাহখানেক আগে মুক্তু মিয়ার লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে রাব্বি নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করি। এরপর থেকেই প্রতিপক্ষের লোকজন নানাভাবে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে জানতে মুক্তু মেম্বারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
নান্দাইল থানার ওসি মুনসুর আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হোসেনপুর থানার ওসি শেখ মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সূত্র যুগান্তর

দুদকে ৬ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যা বললেন মাহী | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মাহী বি চৌধুরী এমপি। ছবি: সংগৃহীতঅর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন মাহী বি চৌধুরী এমপি। এ বিষয়ে আগামী ২৭ বা ২৮ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার প্রায় ৬ ঘণ্টা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেছেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী।
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহমেদ।
মাহী বি চৌধুরী বলেন, আমার নামে দুদকে একটি অভিযোগ এসেছে। সে অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান করছে দুদক। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার বক্তব্য গ্রহণ জরুরি ছিল। সে কারণে আমাকে দুদক ডেকেছে।
তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, ‘কিছু লোক তো আছেই যাদের আর কোনো রাজনীতি থাকে না, যাদের কোনো রাজনৈতিক অবস্থান থাকে না, দেশের জন্য দেয়ার মতো রাজনীতিও থাকে না, শুধু ষড়যন্ত্রের ওপর নির্ভর করে সে সব রাজনীতিক টিকে থাকার চেষ্টা করেন। এটা তাদেরই ষড়যন্ত্র।’
অভিযোগ সম্পর্কে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহী বলেন, এখানে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কোনো সুযোগই নেই, মানি লন্ডারিংয়ের কোনো সুযোগই নেই। বাংলাদেশের বাইরে আমার যদি কোনো আয় ও ব্যয় থাকে সেটা বাংলাদেশের বাইরে আমার বৈধ আয় থেকে।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, রোববার মাহীর সঙ্গে তার স্ত্রী আশফাহ্ হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও অসুস্থতার জন্য তিনি হাজির হতে পারেননি।
দুদক সূত্র জানায়, মাহী ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ এসেছে।
এতে আরও বলা হয়, অজ্ঞাত খাত থেকে আয়ের টাকা তারা কৌশলে বিদেশে নিয়ে গেছেন। বিএনপি সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন তিনি। সূত্র যুগান্তর

লৌহজংয়ে বাঘ আতংক! | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: শনিবার মধ্য রাত থেকে ঘড়ে বেড়াচ্ছে বাঘদুটি মেছো বাঘ ঘুরে বেড়াচ্ছে লৌহজং উপজেলার খিদিরপাড়া ইউনিয়নের ফুলকুচি ও পাশের রসকাটি গ্রাম। শনিবার মধ্য রাত থেকে বাঘ দুটিকে দেখতে পায় এলাকাবাসী।
শনিবার রাতে বাড়ির পাশে ধনঞ্চে খেতে বাঘ দুটি দেখে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোরাদ আলী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারাও বাঘ দুটিকে এলাকায় বিভিন্ন ঝোঁপ-জঙ্গলে ঘুরাফেরা করতে দেখেন।
রাতে এলাকাবাসীকে সাবধান করতে বিভিন্ন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয়া হয়। বলা হয়, এলাকায় বাঘ দেখা গেছে রাতের অন্ধকারে কেউ একা বের হবেন না। দলবদ্ধভাবে রাস্তায় বের হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয় জনগণকে।
রাতে লৌহজং থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়, বাঘ আতংকিত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করার জন্য। সারা রাত এলাকায় পুলিশ পাহারা চলে।
রোববার সকালে ফুলকুচি ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম রসকাটি এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এলাকার যুবক, কিশোর ও বয়স্ক অনেকেই দল বেঁধে হাতে লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন।
ফুলকুচি গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানান, সকালেও ফুলকুচি গ্রামের কবরস্থানের সামনে একটি ধনঞ্চে খেতে বাঘ দুটিকে অনেকে দেখতে পেয়েছেন।
ফুলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর নাহার জানান,বাঘ আতংকে অনেক বাচ্চা আজকে স্কুলে আসতে দেয়নি অভিভাবকরা। যারা স্কুলে এসেছে তাদের আমরা স্কুলের আঙ্গিনার মধ্যে রাখছি বাইরে যেতে দিচ্ছি না।
স্কুল থেকে বের হয়ে দেখা গেছে, এক অভিভাবক হাতে লাঠি নিয়ে স্কুল থেকে বাড়ি যাচ্ছেন। তিনি বলেন, বাঘের কথা শুনার পর বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে গিয়েছিলাম লাঠি হাতে নিয়ে।
এলাকার ছোট ছোট বাজার ও দোকানপাটে লোকের সমাগম অন্যান্য দিনের চেয়ে কম দেখা গেছে।
এই বিষয়ে এলাকাবাসী মাকসুদ জানান, শনিবার রাত থেকে এই এলাকায় দুটি বড় রকমের মেছো বাঘ দেখা যাওয়ায় এলাকাবাসী আতংকের মধ্যে রয়েছেন।
তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, বাঘ দুটিকে ধরতে বন বিভাগকে খবর দেয়া হয়েছে, বন কর্মকর্তারা দ্রুত আসবেন বাঘ দুটি ধরতে। তবে মেছো বাঘ দুটি হিংস্র নয়, তার কারণ ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তারা কোনো মানুষকে ক্ষতি করেনি। সূত্র যুগান্তর

ফোন বন্ধ আছে থাক, প্রাণহানি তো হয়নি: কাশ্মীর গভর্নর | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: জম্মু-কাশ্মীরের গভর্নর সত্যপাল মালিক। ফাইল ছবিফোন বন্ধ আছে থাক, প্রাণহানি তো হয়নি। যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবের চেয়ে মানুষের মৃত্যু রোখা বেশি ভালো মন্তব্য করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের গভর্নর সত্যপাল মালিক।
রোববার দিল্লিতে প্রয়াত অরুণ জেটলির শেষকৃত্যে যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন জম্মু কাশ্মীরের গভর্নর সত্যপাল মালিক। এ সময় তিনি উপত্যকায় খাবার ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর যোগানের অভাব নেই বলেও দাবি করেন। তবে সব পরিষেবা খুব শীঘ্রই চালু করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এ খবর জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
গত ৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার পর থেকেই জম্মু কাশ্মীর কার্যত গোটা ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মোবাইল, ইন্টারনেট, কেবল, ল্যান্ডলাইনসহ যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম বন্ধ করে উপত্যকায় জারি করা হয় কারফিউ। এখনও ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত সেনা ও নিরাপত্তা কর্মী-কর্মকর্তা।
কিছু কিছু অংশে ল্যান্ডলাইন পরিষেবা চালু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে অভিযোগ কাশ্মীরিদের।
আর কত দিন এভাবে প্রায় সব পরিষেবা বন্ধ রেখে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হবে উপত্যকাকে বিরোধীদের এমন প্রশ্নের জবাবে সত্যপাল মালিক সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, যখনই জম্মু কাশ্মীরে কোনো সঙ্কট তৈরি হয়েছে, প্রথম সপ্তাহেই অন্তত ৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ৩৭০ অনুচ্ছেদ পর্বে এখনও পর্যন্ত উপত্যকার কোথাও একজন মানুষেরও মৃত্যু হয়নি-দাবি করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের এ গভর্নর।
ফোন চালুর বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে কাশ্মীর গভর্নর সত্যপাল বলেন, আমরা চাই একজন মানুষেরও মৃত্যু যেন না হয়। তাতে ১০ দিনের জন্য যদি টেলিফোন বন্ধ থাকে, থাক। তবে আমরা শীঘ্রই এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করব। জম্মু কাশ্মীরে রয়েছে মোট ৯৭টি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ। প্রশাসন জানায়, তার মধ্যে ২৫টি এক্সচেঞ্জে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু হয়েছে।
এখনও জম্মু কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে কারফিউ জারি রয়েছে। যান ও সাধারণ মানুষের গতিবিধির ওপর নিষেধাজ্ঞা বা নজরদারি রয়েছে অধিকাংশ জায়গায়।
উপত্যকার মানুষের অভিযোগ, খাবার, ওষুধ ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতেও টান পড়ছে। গভর্নর যদিও এদিন দাবি করেছেন, কাশ্মীরে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বা ওষুধের কোনও ঘাটতি নেই। ঘটনা হল, ঈদের সময় আমরা বাড়ি বাড়ি মাংস, শাক-সবজি, ডিম পৌঁছে দিয়েছিলাম। এরপর প্রশ্নকর্তা সাংবাদিকের উদ্দেশে বলেন, ১০-১৫ দিনের মধ্যেই আপনার অভিমত পাল্টে যাবে। সূত্র যুগান্তর

ভেদরগঞ্জে কলেজে ঢুকে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের! | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার হাজী শরীয়তউল্যাহ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রেম সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক যুবক।
রোববার দুপুর দেড়টার দিকে কলেজ ভবনের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
নীরব মিয়া (১৯) সখিপুর ইউনিয়নের মাধু সরকার কান্দির বাসিন্দা আব্দুল হাকিম মোল্যার ছেলে। সে গাজীপুর জেলার একটি গামেন্টর্স এক্সেসরিজের কারখানায় কাজ করে।
জানা গেছে, একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কিন্তু কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে।
পরে রোববার দুপুরে বিষ নিয়ে হাজী শরীয়তউল্যাহ কলেজে যায় নীরব এবং ওই ছাত্রীকে সামনে রেখে বিষপান করার চেষ্টা করে সে। এ সময় ছাত্রীর সহপাঠীরা নীরবকে উদ্ধার করে অধ্যক্ষের কাছে নিয়ে যায়। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ নীরবকে সখিপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
আত্মহত্যার চেষ্টাকারী নীরব মিয়া বলেন, আমার সঙ্গে দুই বছর প্রেম সম্পর্কের পর কয়েকদিন ধরে তা অস্বীকার করে আসছে মেয়েটি। আমি কিছুতেই তা মানতে পারছিলাম না। তাই তাকে ভয় দেখানোর জন্য এ কাজ করেছি। আমি তাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। অন্যথায় আমি মারা যাব।
তবে ওই ছাত্রী বলেন, নীরব আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে হুমকি দিত এবং ব্লাকমেইল করত। পরে আমি বাধ্য হয়ে অনেকদিন তার সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু এখন কথা না বলায় সে আমাকে আত্মহত্যা এবং বিষপানের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে হাজী শরীয়তউল্যাহ কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল আজাদ বলেন, যে ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছিল তা আমাদের কলেজের জন্য বিশাল বদনামের কারণ হয়ে দাঁড়াতো। আমি চাই কোনোক্রমেই যে কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।
সখিপুর থানার ওসি মো. এনামুল হক বলেন, ছেলেটি এখন আমাদের থানা হেফাজতে রয়েছে। বিস্তারিত পরে বলতে পারব। সূত্র যুগান্তর

রোহিঙ্গা নির্যাতনের ২ বছর: জন্মভূমিতে ফিরতে চোখভেজা আকুতি | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: মোনাজাত ধরে কাঁদছেন রোহিঙ্গারা। ছবি- পালং এর হতা, কমিউনিটি রেডিও নাফরোহিঙ্গা নির্যাতনের দুই বছর পূর্ণ হলেও এখনও তার জন্মভূমিতে ফিরে যেতে পারেনি। নির্যাতনের শিকার এসব রোহিঙ্গা টেকনাফ দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ শুরু করে। তবে নিজ জন্মভূতিতে ফিরে যাওয়া আকুতিতে আজও দু’চোখ ভেজে তাদের।
রোববার রোহিঙ্গা নির্যাতনের দুই বছর পূর্ণ উপলক্ষে রোহিঙ্গারা উখিয়ার কুতুপালং ডি-৪ ক্যাম্প মাঠে এক বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করে। সেখানে নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণাও দেন নেতারা। রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উখিয়ার কুতুপালংয়ের ক্যাম্প এক্স-৪-এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটির চেয়ারম্যান মাস্টার মুহিব উল্লাহ, আব্দুর রহিম, মোহাম্মদ ইলিয়াছসহ অন্য নেতারা।

সমাবেশে উপস্থিত রেজিস্টার্ড ক্যাম্প কমিটির সদস্য রোহিঙ্গা সাইফুল যুগান্তরকে বলেন, আমরা এখানে বসবাস করায় স্থানীয়দের অসুবিধা হচ্ছে। আমরা জন্মভূমিতে ফিরে যেতে চাই।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন,এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে আমরা ঋণী। তিনি আশ্রয় দিয়ে আমাদের নতুন জীবন দিয়েছেন।
তবে রোহিঙ্গাদের নিয়ে অভিযোগ করেন টেকনাফ বাসিন্দা আবদুল হক। তিনি যুগান্তরকে বলেন, রোহিঙ্গা আসার কারণে অতিশয় দুর্ভোগে আছি। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে গেছে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদীর দাম আগুনের মতো বেড়ে গেছে। রোহিঙ্গাদের কারণে এনজিওর কাজ করে এমন মানুষের সংখ্যা এত বেড়ে গেছে যা আমাদের এলাকার ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।তাই রোহিঙ্গারা যত তাড়াতাড়ি তাদের দেশে ফিরে যায় তত আমাদের জন্য ভালো।

আরেক বাসিন্দা রাজিয়া বেগম বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রথমে আমরা মানবতা দেখিয়ে জায়গা দিয়েছিলাম, নিজের খাবার-দাবার এমনকি পরনের কাপড়-ছোপড়ও দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন ওদের জন্য আমরা ঠিকমতো চলাফের করতে পারছি না। এ ছাড়া আগের মতো আমরা হাটে-বাজারে যেতে পারছি না। যদিও তাদের ক্যাম্পের বাইরে যাওয়ার নিয়ম নেই তবুও তারা হাটে-বাজারে এসে ভিড় করছে, যা আমাদের জন্য অতীব কষ্টের বিষয় হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, রোববার রোহিঙ্গা সংকটের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৭ সালের এ দিনে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে।এর পর থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গারা। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ। সূত্র যুগান্তর

বোরহানউদ্দিনে অভিযুক্তের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: বোরহানউদ্দিনে অভিযুক্তের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: যুগান্তরভোলার বোরহানউদ্দিনে ৪৬ নম্বর পক্ষিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি মুজাম্মল হকের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল সংলগ্ন সড়কে ওই স্কুল ও পার্শ্ববর্তী পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধন শেষে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়াসহ অন্য বক্তারা বলেন, ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করার পরও ধর্ষক মুজাম্মেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অথচ পুলিশ নিষ্ক্রিয়। তারা পুলিশের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে মুজাম্মেলের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির ফাঁসি দাবি করেন।
মামলার বাদী ছাত্রীর মা মোসা. সুমা বেগম পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ৬ আগস্ট তিনি বাদী হয়ে মামলা করলেও আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তিনি তার মেয়ের ওপর নির্যাতকারীর বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমগীর জানান, তারা মানববন্ধন করলে আমার করার কিছু নাই। আমি আসামি খোঁজার চেষ্টা করেছি, তারা তথ্য দিলে আমি গ্রেফতার করে নিয়ে আসব।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি (চলতি দ্বায়িত্ব) মোহাম্মদ আবদুল কাদের জানান, ঘটনাটি তার জানা নেই, তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
এসপি (সার্কেল) রাসেদুর রহমান জানান, আসামিদের একজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে, অন্যজনকে গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। সূত্র যুগান্তর

ভারতীয়দের আগ্রাসন রুখতে প্রস্তুত পাক সেনাবাহিনী | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। ছবি: সংগৃহীতভারতীয়দের যে কোনো হত্যা বা আগ্রাসন মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। শনিবার পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া এ মন্তব্য করেন। রোববার পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ডন এ খবর জানায়।
তিনি ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের চলমান পরিস্থিতিতে পূর্ব সীমান্ত থেকে হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছি যে কোনো হত্যা বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। সেনা সদর দফতর গিলগিটে তিনি এ সব কথা বলেন। আইএসপিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে এ সব তথ্য জানানো হয়।
এ সময় জেনারেল বাজওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে আবহাওয়া, ভূখণ্ড এবং শত্রুদের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি এবং মনোবলের প্রশংসা করেন।
৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা রহিত করা হলে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলুপ্ত হয়। মোদি সরকার কাশ্মীরকে দুটি আলাদা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেন। এর পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের উত্তেজনা দেখা দেয়। এ নিয়ে চলতি মাসে সীমান্তে পারমাণবিক দেশ দুটির মধ্যে কয়েকদফা গোলাগুলি হয়েছে। এতে দু’দেশের বেশ কয়েকজন সৈনিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ উত্তেজনার মধ্যেই ভারত পরোক্ষভাবে পাকিস্তানকে পারমাণবিক হামলার হুমকি দেয়।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও কাশ্মীরিদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও বলা হয়, কাশ্মীরি জনগণকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। সূত্র যুগান্তর

সাগরে লঘুচাপ, বাড়তে পারে বৃষ্টি | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: সাগরে লঘুচাপ, বাড়তে পারে বৃষ্টি।বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি আকারে অবস্থান করায় বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এক পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানিয়েছে, উড়িষ্যা উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। যার একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত।
এ কারণে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। ভারী বর্ষণের আভাস থাকলেও পাহাড় ধসের কোনো শঙ্কা দেখছে না আবহাওয়া অধিদফতর।
আগামী দু’দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে ও আর পাঁচদিনে বৃষ্টিপাতের কার্যকারিতা বাড়বে।
সূত্র যুগান্তর

লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ।লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ। মেজর জেনারেল থেকে রোববার তাকে এই পদোন্নতি দেয়া হয়। এর আগে লজিস্টিকস এরিয়ায় জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার ছিলেন মেধাবী এই সেনা কর্মকর্তা।
এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ ১৯৮৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৯ম বিএমএ র্দীঘমেয়াদি কোর্সে পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, বিএমএতে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও সেনাসদর প্রশিক্ষণ পরিদফতরে পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া ২০১২ সালে তিনি ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। চাকরি জীবনে তিনি বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) মহাপরিচালক এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সিনিয়র ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। পদোন্নতির পর এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ জিওসি অ্যাটর্ডক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
সূত্র যুগান্তর