শীতে আন্দোলনে নামবে বিএনপি: হাফিজ

স্টাফ রিপোর্টার:আবারও আন্দো লনে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি। আসছে শীতে নেতা-কর্মীদের একত্র করে রাজপথে নেমে আন্দো লনের হুঁশি য়ারি দিলো দলটি।

আজ রবিবার (২৫শে আগস্ট) জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের একথা বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য যে ধরনের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন ছিল, সেটা আমরা নিতে পারেনি। এই শীতে আমরা আন্দোলনের ছক করে নিয়েছি। ছাত্রদল এবং যুবদলকে সংগঠিত করে আমরা রাজপথে নামবো।’

হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘মধ্যরাতের সরকার সম্পূর্ণভাবে সারা পৃথিবী থেকে বি চ্ছিন্ন একটি সরকার। আজকে এদের কারণে আমাদের কোনো বন্ধু নেই। রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি ভ য়াবহ সমস্যা। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের সার্ক অঞ্চলে বা সারা পৃথিবী থেকে আমরা কেবল লিপ সার্ভিসই পেয়েছি। কারো কাছ থেকে এ সং কট সমাধানের জন্য বলিষ্ঠ কোনো পদক্ষেপ পাইনি। সুতরাং এটি বর্তমান সরকারের জন্য কূটনৈতিক ব্যর্থতা।’

এ সময় দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মিথ্যা মাম লায় কারাবন্দি বলেও অভি যোগ করেন তিনি। ছাত্রদল ও যুবদলকে সংগঠিত করে বিএনপি রাজপথের আ ন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে বলেও জানান মেজর হাফিজ।
সূত্র সময়ের কণ্ঠস্বর

দু’জনের লা শ আনতে গিয়ে লা শ হয়ে ফিরলেন আরো দু’জন

স্টাফ রিপোর্টার: নিখোঁজ দুই গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ উদ্ধা রের খবর পেয়ে ঢাকায় তাদের মর দেহ আনতে যাওয়ার পথে লা শ হলেন আরো দু’জন। এ ঘটনায় আ হত হয়েছেন আরো চারজন। শুক্রবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডুবাইল এলাকায় এ দু র্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহ তদের পরিবারে স্বজনদের মাঝে চলছে আহাজারী। শোকের ছায়া নেমে এসেছে দু’টি গ্রামে।

নিহ তরা হলেন, পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ভরতপুর গ্রামের মৃ ত আক্কাস সরদারের ছেলে আব্দুল কাদের সরদার (৪৫) ও একই গ্রামের ব্যবসায়ী মৃ ত ইব্রাহিম আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৪২)। তারা সর্ম্পকে চাচা-ভাতিজা বলে জানা গেছে। নি হতের পরিবারের লোকজন জানান, আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের ভরতপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে ওহিদুল ইসলাম (২৬) ও মাজপাড়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বশারত আলীর ছেলে সুরুজ আলী (২০) ঢাকায় গার্মেন্টেস চাকুরী করতেন।

গত ৬ আগস্ট হঠাৎ করেই তারা নিখোঁ জ হন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান পায়নি স্বজনরা। ১৬ দিন পর বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আট ক ও তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নিখোঁ জ দুই গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ উ দ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে খবর পেয়ে দুইজনের মরদেহ আনতে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) ভোররাতে মাইক্রোবাসযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন চালকসহ ছয়জন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসের চাকা বিকল হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের এসআই মতিয়ার রহমান জানান, এ সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ৬ জন আ হত হয়। পরে আ হতদেরকে উদ্ধা র করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল কাদের মেম্বার ও আব্দুর রাজ্জাক নামের দু’জনকে মৃ ত ঘোষণা করেন। আ হতরা হলেন, মাইক্রোবাস চালক নাজিম উদ্দিন, মোশারফ হোসেন, সিরাজ উদ্দিন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে ঢাকায় খু ন হওয়া ও সড়ক দূর্ঘটনায় নিহ তদের পরিবারে স্বজনদের মাঝে চলছে আহাজারী। শোকের ছায়া নেমে এসেছে দু’টি গ্রামে। স্বজনদের স্বান্তনা দিতে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছেন না প্রতিবেশিরা। শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টায় আটঘরিয়া ভরতপুর গ্রামের স্থানীয় কবরস্থানে দূর্ঘ টনায় আহত দুইজনের লা শ দাফন করা হয়। সূত্র সময়ের কণ্ঠস্বর

নির্মাণাধীন মসজিদে গিয়ে গলায় ফাঁ স দিলেন যুবক

স্টাফ রিপোর্টার: নির্মাণাধীন মসজিদে গিয়ে গলায় ফাঁস দিলেন যুবক!উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি- সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে শহিদুল খন্দকার (৩৫) নামে এক যুবক গলায় ফাঁ স দিয়ে আত্মহ ত্যা করেছে।

আজ শনিবার (২৪ আগষ্ট) ভোরের দিকে নির্মাণাধীন নুরে জামে মসজিদের সিঁড়ির কাছে ওই যুবক আত্মহ ত্যা করে। নি হত শহিদুল খন্দকার বেলকুচি পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক খন্দকারের ছেলে।
এলাকাবাসী জানান, বাড়ির সকলের অজান্তে গলায় রশি দিয়ে আত্মহ ত্যা করছে।

বাড়ির লোকজন নি হত শহিদুলকে ঘরে না দেখতে পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পাশে নির্মাণাধীন নূরে জামে মজিদে সাটারিংয়ের সাথে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়।

বেলকুচি থানার অফিসার ইর্নচাজ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ

ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আবার ও প্রকা‌শ্যে কু‌ পি‌য়ে হ ত্যা করা হল এক জন‌কে

স্টাফ রিপোর্টার:চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপ‌জেলার দর্শনা আন্তর্জা‌তিক রেল বন্দরে পল্টু (৩৫) না‌মে একজন‌কে প্র‌তিপক্ষের লোকজন প্রকা‌শ্যে এ‌লোপা তা‌ড়ি কু‌ পিয়ে হ ত্যা ক‌রে‌ছে। প্রকা‌শ্যে জনসন্মু‌খে হ ত্যা কর‌লেও নিহত পল্টু‌কে বাঁচা‌তে এ‌গি‌য়ে আ‌সে‌নি কেউ।

‌শুক্রবার বি‌কেল সা‌রে ৬ টার দি‌কে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পল্টু দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রা‌মের আব্দুর রবের ছে‌লে।জনসন্মু‌খে হ ত্যা কা‌ন্ডের ঘটনা ঘট‌লেও হ ত্যাকা রীরা এতটাই প্রভাবশালী যে ‌তা‌দের ভ‌ য়ে স্থানীয় প্রতক্ষ্যদ‌র্শিরা কেউ মুখ খুল‌ছে না।কি কার‌ণে এই  হ ত্যা কা‌ন্ডের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে সে বিষ‌য়ে স্পষ্ট কিছু জানা নাগে‌লেও পু‌লিশ বল‌ছে নিহ ত ও হাম লাকারীরা ক্ষমতা‌সিন দ‌লের স্থানীয় দু’গ্রু‌পের সদস্য।

দামুড়হুদা ম‌ডেল থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ (ও‌সি) সুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নি‌শ্চিক ক‌রে জানান, স্থানীয় দু’‌টি গ্রু‌পের ম‌ধ্যে দীর্ঘ‌দিন থে‌কে চ‌লে আসা কোন্দ‌ লের জের ধ‌রেই এই হ ত্যা কা‌ন্ডের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে ব‌লে প্রাথমিক ভা‌বে ধারনা করা হ‌চ্ছে।

ও‌সি আরও জানান, এই  হ ত্যার সা‌থে জ‌ড়িত‌দের ধর‌তে পু‌লিশ মা‌ঠে র‌য়েছে।দর্শনা পৌর মেয়র ম‌তিয়ার রহমান জানান, পল্টু না‌মে একটা ছে‌লে এ‌লো পাতা‌ড়ি কো প খে‌য়েছে। তা‌কে চি‌কিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতা‌লে নেওয়ার সময় প‌থের মা‌ঝে সে মা রা গিয়ে‌ছে শুনলাম। আ‌মি লা শ না দে‌খে নি‌শ্চিত ক‌রে কিছু বল‌তে পার‌বো না।
সূত্র সময়ের কণ্ঠস্বর

যেকোন সময় ভারতের সঙ্গে পরমাণু যু দ্ধ শুরু হতে পারে: ইমরান খান

স্টাফ রিপোর্টার:আন্তর্জাতিক ডেস্ক- কাশ্মির ইস্যুতে ভারতের কড়া সমালোচনা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেন, ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আর কোনও সংলাপে যেতে আগ্রহী নন তিনি। গত ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর প্রথম কোন বিদেশী গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টকে এক সাক্ষাৎকার দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন। ইতিমধ্যে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান সমস্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাতিল করেছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক শিথিল করাসহ ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে। ভারতের সব সিমেনা পাকিস্তানে নি ষিদ্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া, কাশ্মীর ইস্যু জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও তোলা হয়েছে। তবে, একমাত্র চীন বাদে নিরাপত্তা পরিষদের সবাই কাশ্মীর ইস্যু ভারত ও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছে।

ইমরান খান বলেন, তাদের সঙ্গে আলোচনার কোনও মানে নেই। আমি অনেক কথা বলেছি। এখন আমি পেছনে ফিরে তাকালে দেখতে পাই, আমি শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছি, আর তারা একে দুর্বলতা বলে মনে করেছে। আমাদের এর বেশি আর কিছু করার নেই।’ কাশ্মীরের আশি লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে ইমরান জানান। তিনি কাশ্মীরে জাতিগত নিধন ও গণহ ত্যা সংঘটিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে বলে আশঙ্ক্ষা করেন। সম্প্রতি, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট সরদার মাসুদ খান ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে গণহ ত্যার অভিযোগ করেছিলেন।

ইমরান খান বলেন, কাশ্মিরে ভারত কোনও ভুল অভিযান চালাতে পারে। পাকিস্তানের বিরু দ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, তখন পাকিস্তানও জবাব দিতে বাধ্য হবে। ভারত ও পাকিস্তান উভয় রাষ্ট্র পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র। পাকিস্তান আশঙ্কা করছে, ভারতের সঙ্গে যেকোন সময় পরমাণু যু দ্ধ সংঘটিত হতে পারে। পরমাণু যু দ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করে ইমরান বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান দুটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমাগত উত্তে জনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, কাশ্মীর ইস্যুতে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি, তা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।’ কাশ্মীর ইস্যুতে ইমরান খানের অভিযোগ সম্পর্কে ভারত সরকারিভাবে কোন মন্তব্য করেনি। তবে, ইমরান খানের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে ভারত দাবি করেছে। সূত্র সময়ের কণ্ঠস্বর

‘আমি মরলে খালেদা জিয়া শোক বার্তা দেবে, সেটাও তৈরি ছিল’

স্টাফ রিপোর্টার: ‘আমি মরলে খালেদা জিয়া শোক দেবে, সেটাও তৈরি ছিল’- প্রধানমন্ত্রী
সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বুধবার রাজধানীর ফার্মগেট খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে একুশে আগস্ট উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি মরলে (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি প্রধান) খালেদা জিয়া শোক দেবে। সেটাও নাকি তার তৈরি করা ছিল। বিএনপি-জামায়াত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই ধরনের ঘটনা ঘটা কোনোদিনই সম্ভব না। এটা আজকে প্রমাণিত সত্য।’

শেখ হাসিনা বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বেঁচে থাকার কথা নয়। ওরা ভাবেনি যে বেঁচে থাকবো। অনেক ছোট ছোট ঘটনা আমি জানি। যারা হামলা করেছে তারা এক জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সেখান থেকে ফোন করেছে যে আমি মারা গেছি কী না।
একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, অজ্ঞাতনামা দুজন যে মারা গেল তাদের খবর কেউ নেয়নি, লাশও কেউ নেয়নি। এখন ধীরে ধীরে সবই বের হচ্ছে। কীভাবে ওই জজ মিয়াকে নিয়ে এসেছে। একজন সাধারণ মানুষকে নিয়ে এসে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা অনেক তথ্য বের করেছেন। এই তথ্যটা বের করেন, তারেক রহমান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ৫ নম্বরে তার যে শ্বশুরবাড়ি ওখানে এসে সে ১০ মাস থাকলো এবং পহেলা আগস্ট চলে গেল ক্যান্টেনমেন্টের বাসায়। ওখানে থেকে সে কী করলো? তার কাজটা কী ছিল?
তিনি বলেন, অনেক পরে মামলা করে আমরা একটা রায় পেয়েছি। আমরা আশা করি এর বিচার হবে। কিন্তু যাদের আমরা হারিয়েছি তাদের তো আর ফিরে পাবো না।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া তার দায় এড়াতে পারেন না, বাবর তো স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিল। যদিও খালেদা জিয়াকে এ মামলায় আসামি করা হয়নি।
সভায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সভা সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন।
আলোচনায় আরও অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাহারা খাতুন, নির্বাহী সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি আবুল হাসনাত, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

এবার আফগানিস্তানে গিয়ে ভারত-পাকিস্তান-ইরান যু দ্ধ করুক : ডোনাল্ড ট্রাম্প

স্টাফ রিপোর্টার:এবার আফগানিস্তানে গিয়ে ভারত-পাকিস্তান-ইরান যু দ্ধ করুক: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ভারত, পাকিস্তান, ইরান, তুরস্ক কিংবা রাশিয়ার মতো দেশকে আফগানিস্তানে গিয়ে ‘স ন্ত্রাসের বিরুদ্ধে’ যুদ্ধ করতে বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এএফপির।

বুধবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আফগানিস্তানে স ন্ত্রাস দমনে অন্য দেশগুলো তেমন একটা পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু যুক্তরাষ্ট্র সেটি করছে।

‘আমরা শতভাগ স ন্ত্রাস নির্মূল করেছি, সেটা করেছি রেকর্ড সময়ে,’ দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা কি সেখানে আরও ১৯ বছর থাকতে পারি? একটা সময়ে এইসব দেশকে আফগানিস্তানে গিয়ে যু দ্ধ করতে হবে।

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তাদের সব সৈন্য সরাবে না, এমন ঘোষণার একদিন বাদে অন্য দেশগুলোকে উদ্দেশ্যে করে এই কথা বললেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ‘আফগানিস্তান থেকে আমাদের দূরত্ব ৭০০ মাইল। অথচ ভারত এবং পাকিস্তান তাদের দরজার কাছে।

দেখুন ভারত সেখানে আছে। তারা কিন্তু যুদ্ধ করছে না। করছি আমরা। পাকিস্তান তো একদম কাছে, তারা করছে অল্প পরিসরে। খুব, খুব অল্প। এটা ঠিক না।

রাস্তার পাশে চা বানাচ্ছেন মমতা, ভিডিও

স্টাফ রিপোর্টার: রাস্তার পাশে চা বানাচ্ছেন মমতা! ভিডিও ভাইরালআন্তর্জাতিক ডেস্ক- তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চা বিক্রি শুরু করেছেন! এমন কথা শোনার পর চোখ যে কারোরই কপালে উঠবে। মমতা দোকানে চা তিনি বানিয়েছেন ঠিকই, তবে দোকানদার হিসেবে নয়।

গ্রামের একটি স্টলে স্থানীয় নেতা ও জনসাধারণকে নিজ হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সেই ভিডিও আপলোড হতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকেই প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন মমতা।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, নিজের হাতে চা তৈরির পর মমতা তা মগে ঢেলে কাগজের কাপে করে সবার হাতে তুলে দিচ্ছেন। স্থানীয়দের ভাষায়, যার আগুন ঝরানো বক্তৃতা নিমেষে উদ্বুদ্ধ করে আপামর রাজ্যবাসীকে সেই মুখ্যমন্ত্রীই সবাইকে সাবধান করছেন ঠিকভাবে চায়ের কাপ ধরার জন্য। যাতে গরম চায়ে কারোর হাত না পুড়ে যায়!

দিঘা সফরকালে মুখ্যমন্ত্রীর এই মমতাময়ী রূপ দেখে মুগ্ধ গ্রামবাসী ও সহকর্মীরা। মমতা নিজেও উপভোগ করেছেন এই ঘটনা। ফেসবুকে জানিয়েছেন সেই কথা।
জানা যায়, রাস্তার পাশের ‘রাধারাধি স্টোর্সে’ নামক একটি চায়ের দোকানে ততক্ষণে পঞ্চাশ জন লোকের ভিড়। সমানে সঙ্গে থাকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গোটা পঁচিশ ছোটবড় গাড়ি।

তক্তপোশ ছেড়ে উঁকি দিয়ে পরিমল দেখেন, দোকানের কাঠের বেঞ্চে সত্যিই বসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পাশে মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ শিশির অধিকারী, জেলাশাসক, পুলিশকর্তা, সাংবাদিক বন্ধুরা।
তখনি তড়িঘড়ি গায়ে গেঞ্জি চড়িয়ে চায়ের জল বসালেও তখনও ঘোর কাটেনি তার। কারণ ফুটন্ত জলে চা পাতা ছাড়তেই মুখ্যমন্ত্রী দোকানের ভিতরে ঢুকে পড়েছেন। পরিমলের কথায়, ‘‘আমি দুধ গুলছি।
মমতা বললেন, সরো। তার পর ছাঁকনি ধরে চা ছাঁকতে শুরু করলেন। সেই চা খাওয়াতে হল।’ তাকে ঘিরে জমা ভিড়ের দিকে তাকিয়ে মমতা হাসতে হাসতে বলেন, ‘বাড়িতে তো চা করিই।

মিনিট দশ-পনেরোর মধ্যে চায়ের আড্ডা ভেঙে গেলেও রাত পর্যন্ত তা নিয়েই আড্ডা চলেছে পরিমলের রাধারানি স্টোর্সে। বেজেই চলেছে ফোন। এক সময় বামেদের সমর্থক পরিমল এখন তৃণমূলকে ভোট দেন।
তবে রাজনীতির সাতেপাঁচে থাকেন না। তবু আচমকা এই ঘটনার পরে ফোন করে এক পরিচিতকে বলেছেন, ‘এসেছিলেন গো। যাওয়ার সময় দু’হাজার টাকাও দিয়ে গিয়েছেন।’
এদিকে নিউ দিঘার সায়েন্স সিটির মতোই তার উল্টো দিকের চায়ের দোকান এ দিন বিকেল থেকেই অন্যতম দ্রষ্টব্য। চায়ের দোকানে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে ভিড়ের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটি আবেদন-নিবেদন এসেছে। জনসংযোগের এই নিজস্ব স্টাইলে তা সামলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ দিন দিঘায় পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক বৈঠক সেরে মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে আসেন ওড়িশা লাগোয়া গ্রাম দত্তপুরে। কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গ্রামের মানুষের কাছে জানতে চান, সরকারি কোন প্রকল্পের সুবিধা পান। কোনটা পান না। কিছু নতুন কাপড় বিলি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে গ্রামবাসীদের ঘর, রেশন, ভাতা সংক্রান্ত বেশ কিছু অভিযোগ শুনতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে।
তবে ওই যাত্রাপথে দত্তপুর থেকে ফেরার পথেই পরিমলের দোকানে নেমেছিলেন মমতা। সন্ধ্যা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই জনসংযোগ যাত্রাই ঘুরছে মানুষের মুখে মুখে।

বাবা করেছে ধর্ষ ণ, মা করেছে গ র্ভপাত..!

স্টাফ রিপোর্টার:
মেয়েটির বয়স যখন ছয় বছর, তখন থেকেই নিজের বাবার লালসার শিকার হয় সে। এভাবেই কেটে গিয়েছে ১৬ বছর। এর মধ্যে বাবার ধর্ষ ণের কারণে বারবার গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। প্রতিবারই কনট্রাসেপটিভ পিল খাইয়ে গ র্ভপাত করিয়ে দেয় মা।

নিজের সঙ্গে ঘটে চলা এই নারকীয় নিপীড়নকে ভবিতব্য হিসেবেই মেনে নিয়েছিল মেয়েটি। কিন্তু পাষণ্ড ওই বাবা এবার ছোট বোনের দিকে হাত বাড়াল। বাবার এমন পাশবিকতা দেখে আর চুপ করে থাকতে পারেনি সে।

নিজেকে বাঁচাতে যা করতে পারেনি, ছোট বোনকে বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয় ভারতের উত্তরপ্রদেশের ২২ বছরের সেই মেয়ে। ভারতের শিশু সুরক্ষা আইনে অভিযুক্ত ৪৪ বছরের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে মেয়ে।
তবে মামলা দায়েরের পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই বাবা। মেয়েকে দিনের পর দিন ধর্ষণে স্বামীকে সহায়তা করেছেন স্ত্রী। এই অভিযোগে মেয়েটির মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁর বয়স যখন ৬ তখন থেকেই বাবা ধর্ষ ণ করত তাঁকে ৷ একাধিকবার গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন তিনি ৷ তখন মা গর্ভপাত করিয়েছিলেন ৷ কারণ মা সবই জানতেন৷
এ সব কিছুকেই নিজের ভাগ্য বলে মেনে নিয়েছিলেন ওই তরুণী৷ কিন্তু ছোট বোনের দিকেও যখন বাবা হাত বাড়ায় তখনম আর মেনে নিতে পারেননি ওই তরুণী।

১৪ বছরের ছোট মেয়েটি পুলিশকে জানায়, বাবার হাতে বারবার যৌন হেন স্থার শিকার হলেও ধর্ষ ণের হাত থেকে তাকে বাঁচিয়েছে দিদিই ৷
দুই বোন জানিয়েছে, বাড়িতে তাদের আরও দুই ভাই ও কয়েকজন আত্মীয় এই ঘটনার কথা জানলেও কখনও প্রতিবাদ করেননি তাঁরাও ৷ এরপরেই বড় বোন আশা জ্যোতি কেন্দ্রে ফোন করে কোনও রকমে নিজেদের অবস্থার কথা জানান ৷ পুলিশ এসে এরপরেই দুই বোনকে উদ্ধার করে ৷ প্রতীকী চিত্র ৷
সূত্র সময়ের কণ্ঠস্বর

খুললেন না ক্লিনিকের গেট, সড়কেই সন্তান প্রসব!

স্টাফ রিপোর্টার: গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের গেট না খোলায় সড়কেই সন্তান প্রসব! 
এইচ এম মেহেদী হাসানাত, ষ্টাফ রিপোর্টার,গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের ফটকের সামনের রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন গৃহবধূ রোজিনা বেগম (৩২) ।
গত সোমবার (১৯ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১২ টায় শহরের ঘুল্লিবাড়ি মোড়ে মালঞ্চ ক্লিনিকের ফটকের সামনের রাস্তায় তিনি সন্তান প্রসব করেন।

প্রসুতির আত্নচিৎকারে আশপাশের মহিলাসহ লোকজন ছুটে আসেন। তারা কাপড় দিয়ে প্রসূতি ও তার বাচ্চাকে আড়াল করে সদ্যজাত শিশুর নারী কাটা থেকে শুরু করে প্রসূতিকে সব ধরণের কাজে সহায়তা করেন। প্রায় ৩০ মিনিট ডাকাডাকির করে প্রসুতির মুমূর্ষ অবস্থার কথা বলা হলেও মালঞ্চ ক্লিনিকের কর্মরত  নার্স  ও কতৃপক্ষের মন গলেনি। তারা ক্লিনিকের গেট খোলেনি। বরং বারবার ক্লিনিকে কর্মরত নার্স ইতি রানী রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন বলে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
প্রসূতি রোজিনা বেগম  গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী গ্রামের নিয়ামূল শেখের স্ত্রী।

প্রসূতির শাশুড়ি বিনা বেগম (৬০) বলেন, সোমবার  রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গ্রামের বাড়িতে বসেই অন্তসত্ত্বা গৃহবধূ রোজিনা বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে তাকে প্রথমে শহরের নার্গিস ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে মালঞ্চ ক্লিনিকে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। মালঞ্চ ক্লিনিকে পৌছানোর পর প্রসূতি প্রসব বেদনায় ছটফট শুরু করে। আমরা মালঞ্চ ক্লিনিকের গেট খুলতে অনুরোধ করি। পরে আমরা গেটে ধাক্কাধাক্কি করি। আমাদের চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে আশপাশের লোজন ছুটে আসেন। কিন্তু ক্লিনিক কতর্ৃপক্ষের মন গলেনি। তারা গেট খোলেনি। চিকিৎসা দেয়নি। আমাদের সাথে অমানবিক অচরণ করেছে। ক্লিনিকের নার্স ইতি রোগী হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। এতে আমরা খুবই অবাক হয়েছি।

ঘুল্লিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিমন (২০) বলেন, ক্লিনিক গেটে চিৎকার, চেচামেচি শুনে আমি আমাদের বিল্ডিং এর ছাদে যাই। সেখান থেকে দেখি প্রসূতিকে নিয়ে স্বজনরা বিপাকে পড়েছে। পরে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। আমার দেখাদেখি আরো অনেকে এগিয়ে আসেন।

ঘুল্লিবাড়ি এলাকার  গৃহবধূ তুরানী সুলতানা (৩৫) বলেন, প্রসূতির আত্নচিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বের হয়ে দেখি ক্লিনিক গেটের সামনের রাস্তায় গৃহবধূ বাচ্চা প্রসব করেছে। পরে কাপড় দিয়ে সদ্যজাত শিশু ও মাকে আড়াল করি। তারপর শিশুর নারী কেটে দেই। এ ছাড়া প্রসূতিকে আমরা সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করি। প্রসূতি ও তার স্বজনদের চিৎকারে আমরা উঠে এসেছি। কিন্তু ক্লিনিকের মালিক ডা. অনুপ কুমার মজুমদার তখন ঘুমাচ্ছিলেন। তার নার্স সহ ক্লিনিকে কর্মরতরা এগিয়ে আসেনি। এ দায় তারা এড়াতে পারেনা।

ঘুল্লিবাড়ি এলাকার অপর গৃহবধূ তহমিনা (২৫) এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাচ্চা প্রসব করার পর রোগী ও তার স্বজনরা ক্লিনিকের সামনের  রাস্তার উপর প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন। এ সময়েও ক্লিনিক কতর্ৃপক্ষ ক্লিনিকের গেট না খুলে রোগীর সাথে অমানবিক অচরণ করেছে। পরে প্রসূতি ও তার বাচ্চাকে শহরের বটতলার হামিদা ক্লিনিকে ভর্তি করি।

ক্লিনিকের অভিযুক্ত নার্স ইতি রানী বুধবার দুপুরে ডিউটিতে ছিলেন না। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্লিনিকের ম্যানেজার  স্বীকার করেছেন ঘটনার সময় নার্স ইতি রানী ডিউটিতে ছিলেন।
ক্লিনিকের মালিক ডা. অনুপ কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনার সময় আমি ঘুমে ছিলাম। এ বিষয়টি আমি জানতে পারিনি। পরে জেনেছি প্রসূতি এক মহিলা শেষ মুহুর্তের প্রসব বেদনা নিয়ে আমার ক্লিনিকের সামনে এসেছিলো। তার স্বজনরা আমাদের ডাকাডাকি করেছিলো। কিন্তু আমরা তাতে সাড়া দিতে পারিনি। এক পর্যায়ে ওই মহিলা সেখানে বাচ্চা প্রসব করে এবং পরে চলে যায়। আমি এ টুকুই জানি।

হামিদা ক্লিনিকের মালিক ডা. গোলাম মোস্তফা বলেন, রাস্তায় বাচ্চা প্রসবের পর প্রসূতি ও সদ্যজাত শিশু গভীর রাতে আমার ক্লিনিকে আসে। তাদের আমরা চিকিৎসা সেবা প্রদাণ করি। ভর্তির সময় মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ্য ছিলো। তাই তারা মঙ্গলবার সকালেই হামিদা ক্লিনিক থেকে বাড়ি ফিরে যায়।