১৫ বছর পর জন্ম দেয়া সন্তানটি চুরি হয়ে গেল মায়ের | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
গভীর রাতে মা-বাবার পাশে ঘুমন্ত অবস্থায় মাসুদুর রহমান নামে ১১ মাস বয়সের এক শিশু চুরি হয়েছে। শনিবার ভোরে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের শ্রীয়াং দক্ষিণ পাড়ার রাজন ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির সন্ধানে এলাকাজুড়ে মাইকিংসহ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতের খাবার খেয়ে ওই গ্রামের শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী সালমা বেগম শিশুটিকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার ভোর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় কৌশলে ঘরের দরজা খুলে মা-বাবার পাশ থেকে শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায় চোর। সকালে ঘুম থেকে উঠে সন্তানকে না পেয়ে মা-বাবা চিৎকার-কান্নাকাটি করতে থাকেন।
এ সময় বাড়ির লোকজন ছুটে আসে। আশপাশের ঘরে খোঁজাখুঁজির পর এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়। পরে থানায় খবর দিলে কুমিল্লা জেলা সহকারী পুলিশ সুপার (লাকসাম সার্কেল) ইমরান রহমানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়রা জানায়, ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের আর কোনো সন্তান নেই। একটি সন্তানের আশায় তারা ধরনা দিয়েছেন ডাক্তার-কবিরাজ, ফকির-দরবেশসহ নানা চিকিৎসালয়ে। বহু চিকিৎসার পর অবশেষে ১১ মাস আগে তাদের কোলজুড়ে মাসুদুর রহমান নামে একটি পুত্রসন্তান আসে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পিতা-মাতা এখন পাগলপ্রায়।
এ বিষয়ে লাকসাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

ভাগ্নিকে নিয়ে উধাও খালু! | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রেম, ভালোবাসা মাঝে মাঝে সত্যিই অন্ধ করে দেয় মানুষকে। তাইতো প্রেম মানে না কোন বয়স, কোন নিয়ম। সমাজ যতই বাঁকা চোখে তাকাক, যতই কটু কথা শোনাক না কেন, প্রেমের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনও কিছুই বাধা মানে না।
কিশোররগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বীর পাকুন্দিয়া থেকে বউকে ফেলে স্কুল পড়ুয়া ভাগ্নিকে নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন আপন খালু আব্দুল হক। ঘটনার ৩ মাস পর শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকার জনৈক ধন মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ভৈরব থানা পুলিশ।
জানা যায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জামসাইদ এলাকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক গত জুনে নিজের বউকে ফেলে তার বড় বোনের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে উধাও হন। এরপর থেকে তারা কখনো ভৈরব, কখনো রায়পুরা এলাকায় আত্মগোপনে থেকে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে। মেয়ের মা ও খালা ভৈরবে এসে পঞ্চবটি এলাকায় মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার সন্ধান চাইলে ওই এলাকার ধন মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, গত তিন মাস যাবত তিনি আমাদের কোনো খোঁজ-খবর না নিয়ে আমার বোনের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে আসে। আমি আমার স্বামীর এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ওই মেয়ের মা বলেন, তিনি আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে এনেছেন। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে খবর পেয়ে ভৈরবে ছুটে আসি। এসে দেখি এখানে এলাকাবাসীর হাতে তারা অসামাজিক কাজের জন্য আটক রয়েছে। আমি তার শাস্তি কামনা করছি।
ভৈরব থানার এএসআই আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় আব্দুল হক ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জরিমানা আদায়ে ফের চিঠি দিতে হবে গ্রামীণফোনকে | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দানের জন্য গ্রামীণফোনকে করা জরিমানার ৩০ কোটি টাকা চেয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দেয়া তিনটি চিঠি বাতিল ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিটিআরসি আইনের ৬৩ ও ৬৫ ধারা অনুযায়ী চার মাসের মধ্যে নতুন করে গ্রামীণফোনকে চিঠি দিতে বলা হয়েছে।
ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণফোনের রিটের প্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে রোববার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ে এনটিটিএন নামের ইন্টারনেট সার্ভিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা ২০১৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখায় রাষ্ট্রের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেল-এর মাধ্যমে নিরূপণ করতে বিটিআরসির প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।
রায়ের পর ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ওই সার্ভিস চালু রাখার মাধ্যমে রাষ্ট্রের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে নিরূপণের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
‘গো’ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাকে অবৈধ ঘোষণার কারণ হিসেবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী- কোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সরাসরি তাদের অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে এ ধরনের ‘লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি’ সেবা দিতে পারে না। লাস্ট মাইল কানেকটিভিটি হলো অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সর্বশেষ পর্যায়ের সংযোগ।
কিন্তু গ্রামীণফোন ‘গো’ ব্রডব্যান্ড সেবার নামে সোনালী ব্যাংককে সরাসরি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে- এমন অভিযোগ তোলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি’র কাছে তারা লিখিত অভিযোগ দেয়।
অবৈধ সেবা দেওয়ার কারণ জানতে ওই বছরের মার্চের শেষ দিকে গ্রামীণফোনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিটিআরসি। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় গ্রামীণফোনকে জরিমানার সিদ্ধান্ত হয়।
এরপর ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করে তা পরিশোধ করতে ওই বছরের ৬ ও ২৯ নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি পৃথক তিনটি চিঠি দেয় বিটিআরসি। এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে রিট আবেদন করে গ্রামীনফোন। রিট আবদেনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং তিনটি চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেন। সেই রুলের ওপর রোববার রায় দেওয়া হয়।

নিজের ফ্ল্যাট গোপন রেখে প্লট চেয়েছেন রুমিন | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
সরকার ও বর্তমান সংসদকে বারবার অবৈধ বলে দাবি করে আলোচনায় আসা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নামে ঢাকায় ফ্ল্যাট থাকলেও তা গোপন করে সরকারের কাছে ১০ কাঠার প্লট দাবি করেছেন।
রাজধানীর পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট চেয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমকে দেয়া চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ঢাকা শহরে আমার কোনো জায়গা/ফ্ল্যাট/জমি নাই। ওকালতি ছাড়া আমার অন্য আর কোনো ব্যবসা বা পেশা নাই। এ জন্য ঢাকাস্থ পূর্বাচল আবাসিক এলাকায় ১০ কাঠা প্লটের প্রয়োজন।’
অথচ নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা থেকে জানা গেছে, রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সেটাকে তিনি স্থায়ী ঠিকানা হিসেবেও হলফনামায় লিখেছেন।
তিনি হলফনামায় আরও লিখেছেন, আনুমানিক ১৮৫০ বর্গফুটের সেই ফ্ল্যাটটি তিনি তার মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন।
প্লট চাওয়ার তার সেই চিঠিটি ইতোমধ্যে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। চলতি মাসের ৩ তারিখ চিঠিটি তিনি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার নামে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ করলে আমি আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব’।
এ বিষয়ে জানতে চিঠিতে উল্লেখ করা রুমিনের নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অনেক নাটকীয়তার পর বিএনপির এমপিরা শপথ নেয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন পান রুমিন। এরও আগে টেলিভিশন টকশোর পরিচিত মুখ ব্যারিস্টার রুমিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে আলোচনায় আসেন।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে মনোনয়ন চান। তবে এই আসনে উকিল আবদুস সাত্তারকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। নিজ এলাকার মানুষের কাছে তেমন পরিচিতি না থাকলেও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে রুমিন ফারহানার পরিচিতি রয়েছে।
এমপি হিসেবে শপথ নিয়েই সেই সংসদকে অবৈধ বলে দাবি করায় আবার আলোচনায় আসেন তিনি। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে চলমান সংসদকে অবৈধ বলা ছাড়াও সরকারের সমালোচনায় মুখর এই এমপি। এছাড়া দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়েও একাধিকার বক্তব্য রেখেছেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া রুমিন ফারহানার হলফনামা।

কত খরচ হবে ই-পাসপোর্ট পেতে? | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালু হচ্ছে আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে। সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফি ১২ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন ফি সাড়ে ৩ হাজার টাকা হবে ই-পাসপোর্টের ফি। এতে কোনো ভ্যাট সংযুক্ত হবে না। পাসপোর্ট তৈরি ও বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে। কোনো সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না ই-পাসপোর্টে কাগজপত্রের। এ তথ্য জানা গেছে পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্রে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীর জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ১০০ ডলার। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ৩০ ডলার। সবক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট হবে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার। তিন ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ই-পাসপোর্ট। সে অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা যায়, ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও অতিজরুরি ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা। ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫ হাজার টাকা, জরুরি ফি ৭ হাজার ও অতিজরুরি ফি ৯ হাজার টাকা। বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৭ হাজার ৫০০ ও অতিজরুরি ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা। ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৭ হাজার টাকা, জরুরি ফি ৯ হাজার ও অতিজরুরি ফি ১২ হাজার টাকা।
অনলাইনেই পূরণ করা যাবে ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র। এছাড়া পিডিএফ ফরম্যাট ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ফরমটি পূরণ করা যাবে। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।
যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের পিতা এবং মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করে ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে জন্মনিবন্ধন সনদ লাগবে। ১৮ বছরের নিচে সব আবেদনকারীর ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।
দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়া হবে। জরুরি পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া হবে। অতিজরুরি পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া হবে।
কূটনৈতিক পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারীদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার উইং বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত তথ্য সংযোজন বা ছবি পরিবর্তনের প্রয়োজন না হলে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির দরকার নেই।

আপন ভাগ্নিকে নিয়ে উধাও সেই খালু ভৈরবে গ্রে প্তার

স্টাফ রিপোর্টার: সৃষ্টির শুরু থেকেই প্রেম-ভালোাবাসা কোনও বাধা নিষেধ মানেনি। যা কিনা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। সমাজ যতোই বাঁকা চোখে দেখুক না কেনো, প্রেম-ভালোবাসা কোনও সম্পর্ক, বয়স কিংবা কটু কথা এসবের ধার দ্বারে না।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বীর পাকুন্দিয়ায় স্ত্রীকে রেখে স্কুল পড়ুয়া ভাগ্নিকে নিয়ে উধাও হয়েছিলেন আপন খালু আব্দুল হক। ঘটনার ৩ মাস পর শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে বৈরবের পঞ্চবটি এলাকার জনৈক ধর মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রে প্তার করে বৈরব থানা পুলিশ।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জামসাইদ এলাকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক গত জুনে নিজের বউকে ফেলে তার বড় বোনের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে উধাও হন। এরপর থেকে তারা কখনো ভৈরব, কখনো রায়পুরা এলাকায় আত্মগোপনে থেকে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে।

মেয়ের মা ও খালা ভৈরবে এসে পঞ্চবটি এলাকায় মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার সন্ধান চাইলে ওই এলাকার ধন মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, গত তিন মাস যাবত তিনি আমাদের কোনো খোঁজ-খবর না নিয়ে আমার বোনের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে আসে। আমি আমার স্বামীর এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

ওই মেয়ের মা বলেন, তিনি আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে এনেছেন। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে খবর পেয়ে ভৈরবে ছুটে আসি। এসে দেখি এখানে এলাকাবাসীর হাতে তারা অ সামাজিক কাজের জন্য আ টক রয়েছে। আমি তার শা স্তি কামনা করছি।

ভৈরব থানার এএসআই আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় আব্দুল হক ও মেয়েটিকে উ দ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের পাশা হিমুর শপথ গ্রহণ | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের (ধর্মপাশা উপজেলা) সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জুবায়ের পাশা হিমু শপথ গ্রহন করেছেন।
আজ রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রি মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি মহোদয় জুবায়ের পাশা হিমুসহ ২০ জন জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত সদস্যগনকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামীম আহম্মেদ মুবাদ গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহণ করায় ওই পদটি শূন্য হয়ে যায়। পরে জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে ওই শূন্য পদে উপ-নির্বাচনের জন্য জুলাই মাসের ২৫ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু একের অধিক কোন প্রার্থী না থাকায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.মোরাদ উদ্দিন হাওলাদার জেলা পরিষদের সদস্য পদে জুবায়ের পাশা হিমুকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রি মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, সরকারী কর্মকর্তাদের চাইতে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের দায়িত্ব আরও বেশী। তাই তাদের সরকারের এবং রাজনৈতিক মেনোফেষ্ট অনুয়ায়ী প্রত্যেককে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দেশ এগিয়ে নিতে হবে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি গ্রামকে শহরের সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা দিয়ে দেশকে সুখী সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়ে তোলার আহবান জানান তিনি।নব নির্বাচিত সদস্যারা তাদের বক্তব্যে বলেন, তারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারের যাবতীয় কাজ করবেন এবং তাদের নিজ নিজ উপজেলায় দূর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত ও বাল্য বিবাহমুক্ত গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের জন্য টেলিটকের নতুন চমক! | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
বন্ধ সিমে টেলিটক নিয়ে এলো অবিশ্বাস্য অফার। শিক্ষার্থীদের জন্যে টেলিটকের ‘বর্ণমালা’ ও ‘আগামী’ প্যাকেজের গ্রাহকেরা এখন থেকে উপভোগ করবেন ১ সেকেন্ড পালস্। এছাড়াও বন্ধ টেলিটক সিম চালু করে ৪৯ টাকা রিচার্জ করে পাচ্ছেন ৪৭ পয়সা/মিনিট* ভয়েস কলরেট (যেকোন অপারেটরে) এবং ২ জিবি ফ্রি ডাটা (মেয়াদ ১৫ দিন) ও ১০০ এসএমএস একদম ফ্রি।
সাথে আরও পাচ্ছেন –৩জিবি @ ৩৮ টাকা (মেয়াদ ৭ দিন),১জিবি @ ৪৫ টাকা (মেয়াদ ৩০ দিন) এবং২জিবি @ ৭৭ টাকা (মেয়াদ ৩০ দিন)।
৪৭ পয়সা / মিনিট* উপভোগ করতে গ্রাহককে আবার ৪৯ টাকা রিচার্জ করতে হবে যা তার মূল অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সে যোগ হবে। প্রতিবার ৪৭ পয়সা / মিনিট* কলরেট উপভোগের মেয়াদ ৩০ দিন।
২ জিবি ফ্রি ডাটা এবং ফ্রি ১০০ এসএমএস শুধুমাত্র প্রথম রিচার্জের জন্য প্রযোজ্য।
ভয়েস কলরেটে প্রতি সেকেন্ডে পালস্‌
বন্ধ সিম অফারের আওতাধীন কিনা তা যাচাই করতে গ্রাহকগণ যেকোন টেলিটক নম্বর থেকে মোবাইল নম্বরটি লিখে এসএমএস করুন ১১২ নম্বরে (বিনামূল্যে) ।
উল্লেখ্য, বর্ণমালা সিম ২০০৫ থেকে ২০১৯ সালে এসএসসি পাসকৃত সকল ছাত্রছাত্রী বর্ণমালার জন্য আবেদন করতে পারবে।সিমের মূল্য ১০০ টাকা । বর্ণমালা সিমের জন্য আবেদনের পদ্ধতি নিম্নোক্ত ফরম্যাটে টেলিটক নাম্বার থেকে SMS এর মাধ্যমে বর্ণমালা সিমের জন্য নিবন্ধন করতে হবে-BOR <space> SSC Board(first 3 letters) <space> SSC ROLL <space> SSC passing year <space> SSC registration no. <space> contact no (Any operator)। এসএমএসটি যেকোন টেলিটক নাম্বার থেকে ১৬২২২ সেন্ড করতে হবে।
#সিম উত্তোলনের নির্দিষ্ট তারিখে নিম্নোক্ত ডকুমেন্টসমূহ অবশ্যই সাথে আনতে হবেঃ
-টেলিটক কর্তৃক সিম উত্তোলনের মেসেজ-যার নামে সিম রেজিস্ট্রেশন করা হবে তার ২ কপি ছবি-যার নামে সিম রেজিস্ট্রেশন করা হবে তার NID এর ফটোকপি-যার নামে সিম রেজিস্ট্রেশন করা হবে তাকে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের জন্য স্ব-শরীরে আসতে হবে।

মিয়ানমারে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের পাঁচ দাবি | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
মিয়ানমারে ফিরে যেতে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা। নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়া, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা, নিজেদের ভিটেবাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া, ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনকারীদের আন্তর্জাতিক অদালতে বিচার করা- এই পাঁচ দফা দাবি মেনে নিলে তবেই মিয়ানমারে যাবেন রোহিঙ্গারা।
রবিবার (২৫ আগস্ট) মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর অপাশবিক সহিংসতা ও নির্যাতনের দ্বিতীয় বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত শোকসভায় এসব কথা জানান রোহিঙ্গা নেতারা।
এদিন সকাল ৯টার দিকে উখিয়ার মধুরছড়া এক্সটেনশন-৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খোলা মাঠে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু উপস্থিত ছিল।
দাবি আদায়ে উত্তাল ছিল রোহিঙ্গাদের এ সমাবেশ। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দাবি আদায়ের স্লোগান, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন আর ব্যানারে ছেয়ে যায় সমাবেশস্থল।
সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, মিয়ানমারে সব রোহিঙ্গা ফিরে যেতে রাজি রয়েছে। তবে তাদের যথাযথ মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। শর্ত পূরণে আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ চান তারা।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মুহিব উল্লাহ, মাস্টার আবদুর রহিম, মৌলভী ছৈয়দ উল্লাহ, রোহিঙ্গা নারী নেত্রী হামিদা বেগমসহ আরো অনেকে।
এ সময় রোহিঙ্গা নেত্রী হামিদা বেগম বলেন, পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের অধিকার আদায়ে কাজ করছে। এখন আমরা যদি নিজেদের দাবি আদায়ে একত্রিত না হই, তাহলে আমাদের দাবি আদায় হবে না।
এ ছাড়া সমাবেশে ২০১৭ সালে রাখাইনে গণহত্যা ও ধর্ষণসহ বর্বর নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে জড়িত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও মগদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের দাবি জানান বক্তারা।
এ সময় মিয়ানমারের নাগরিক মর্যাদা প্রদানসহ দাবি করা পাঁচটি শর্ত মেনে নিতে মিয়ানমার সরকারকে জোরালোভাবে চাপ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়। এ জন্য মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সংলাপ চলমান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, টেকনাফের উনচিপ্রাংসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রাখাইনে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের দাবিতে সমাবেশ হয়েছে। ওই সমাবেশগুলোতে নাগরিকত্ব ও ভিটেমাটি ফিরিয়ে দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন করার দাবি জানানো হয়।
২০১৭ সালের এ দিন থেকেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে। এখন পর্যন্ত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বাস করছে।

দেশে এখনো ওয়ান ইলেভেনের হাওয়া চলছে : ফখরুল | সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশে ওয়ান ইলেভেনের সময় বিরাজনীতিকরণের যে ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত হয়েছিল, সেই হাওয়া এখনও চলছে। তখন যেমনভাবে সব রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা হয়েছিল, ঠিক তেমনিভাবে এই সরকারও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করে দিয়ে দেশে একদলীয় শাসনের ব্যবস্থা করেছে।’
রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আমরা যখন ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের স্মরণসভা করছি তখন আমাদের নেত্রী কারাগারে। সারাদেশে এক লাখ মামলায় ২৬ লাখ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। যারা বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থক। আমাদের ৫শ নেতাকর্মীকে ইতোমধ্যেই গুম করা হয়েছে। হাজারের ওপরে নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন এ সরকারের পেটোয়া বাহিনীর হাতে।
তিনি বলেন, এই সরকার গণতান্ত্রিক সমাজ তছনছ করে দিয়েছে। একদলীয় শাসন অঘোষিত বাকশাল প্রতিষ্ঠার সব ব্যবস্থা করে ফেলেছে। ৭৫ সালে সংসদে ঘোষণা দিয়ে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল, আজ বাকশাল করছে ঘোষণা না দিয়ে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজ আমাদের নেত্রী কারাগারে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাসনে। এ ধরনের একটি জটিল, সংকটময় মুহূর্তের মধ্যদিয়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ সংকটময় মুহূর্তে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। নিঃসন্দেহে আমরা সবার সমবেত প্রচেষ্টায় সেই কাজটিই করছি।
তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপি একটি খুনির দল। উনি ভুলে গেছেন যে ওনারা ৭২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে খুনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সেদিন তারা রক্ষীবাহিনী তৈরি করে বিরোধীদলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে খুন করেছিলেন। সেদিন তারা সিরাজ শিকদারকে খুন করেছিলেন। বিএনপি কখনও খুনের রাজনীতি করে না। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে খুন করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সারা দেশে লুটের রাজত্ব কায়েম করেছে দাবি করে তিনি বলেন, যেখানে যাবেন, সেখানেই দেখবেন আওয়ামী লীগের লোকেরা লুটপাট ছাড়া আর কিছু করছে না।
তিনি বলেন, ঐক্যর কোনো বিকল্প নেই। গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। দল, মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আনতে হবে। দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার স্মৃতি সংসদ আয়োজিত আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য সিরাজুল হক, রশীদুজ্জামান মিল্লাত, নিলোফার চৌধুরী মনি, ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের জামাতা এম হাসান, ভাতিজি সাদিয়া হক। উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের স্ত্রী মাহমুদা সালাম।